বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আনন্দপুরের (Anandapur) শুকনো খাবারের গুদামে। সূত্রের খবর রাত তিনটার সময় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এখনো পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ভেতরে বেশ কয়েকজন আটকে পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের খোঁজ এখনো মেলেনি। ঘটনাস্থলে দমকলে ১২ টি ইঞ্জিন কাজ করছে।
আনন্দপুরে মোমো কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, ৩ নিরাপত্তাকর্মী আটকা ( Anandapur)
রবিবার রাত দেড়টা নাগাদ আগুন লাগে আনন্দপুরের (Anandapur) ওই কারখানায়। জানা যায় কারখানা মোমো তৈরি করা হতো। ফলে প্রচুর পরিমাণে পাম অয়েল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। যার ফলে আগুন ভয়াবহ রূপ নেয় মুহূর্তের মধ্যে। সরু গলির মধ্যে ওই কারখানা হওয়ায় মূল কেন্দ্রে পৌঁছতে পারেনি দমকলের কর্মীরা। অর্থাৎ আগুনে উৎসস্থল পর্যন্ত যাওয়া যায়নি বলে জানাচ্ছেন দমকল কর্মীরা। পাশাপাশি সকাল হয়ে গেলও এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি ওই কারখানার আগুন।

আরও পড়ুন: প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে চান! অল্প খরচে পরিবারকে নিয়ে ঘুরে আসুন রাবণধারা
সূত্রের খবর, ওই গুদামে রাতের ডিউটিতে ছিলেন বেশ কয়েকজন। তাদের এখনো পর্যন্ত কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরিবারের আশঙ্কা তারা ভেতরেই আটকে পড়েছেন। এছাড়াও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে কারখানায় আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই দমকলে খবর দেন তারা। দ্রুত ইঞ্জিন পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, কিছু করে উঠতে পারছিলেন না কেউ।
এইদিকে এই ঘটনায় নিখোঁজ ৬ কর্মীর পরিবারের লোকজনকে জানানো হয়। তারা ফোনে পাচ্ছেন না কাউকে। একজনের ফোন বেজে যাচ্ছে তিনি ধরছেন না। ভিতরে আটকে আছেন না পালিয়ে গেছেন আগুন লাগার সময় তাও বোঝা যাচ্ছে না।
এই ঘটনায় এক কর্মীর আত্মীয় জানান, রাত্রে হঠাৎ ফোন করে বলেছিল দম আটকে আসছে। আগুন লেগেছে কারখানায়। ৫ মিনিটের মধ্যে না আসলে বাঁচতেও না পারি। তারপর আর কিছু জানি না। তবে দমকলের লোকেরা বলছেন, আগুন না নিভানো গেলে কিছু বলা যাবে না।
তবে গুদামের এক কর্মী জানান, আমাদের তিনজন ভিতরে আটকে পড়েছেন। এখনো তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষবার ওদের সঙ্গে যখন কথা হয়েছিল, ওরা বলেছিল দেয়াল ভেঙে বেরোনোর চেষ্টা করছি। এছাড়াও গুদামে যাবতীয় সামগ্রিক পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। ৬ ঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও আগুনে দাপট কমেনি ( Anandapur)।












