বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে নতুন করে শুরু হতে চলেছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ (Annapurna Bhandar) প্রকল্প। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বদলে এবার প্রতি মাসে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। সেই প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে অফিসিয়াল পোর্টাল। কারা এই টাকা পাবেন, কারা পাবেন না, কীভাবে আবেদন করতে হবে এবং কীভাবে আবেদন যাচাই হবে, সব কিছু নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করেছে অর্থ দফতর। তবে পোর্টাল চালু হলেও এখনও কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা থাকায় আবেদন প্রক্রিয়া পুরোপুরি শুরু হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।
রাজ্যে চালু অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প (Annapurna Bhandar)
১ জুন থেকে রাজ্যে চালু হচ্ছে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ (Annapurna Bhandar) প্রকল্প। শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৩ হাজার টাকা পাঠানো হবে।যাঁরা আগে থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাচ্ছিলেন, তাঁদের আলাদা করে নতুন আবেদন করতে হবে না বলেই জানানো হয়েছে। সরাসরি তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে।
অন্যদিকে, যাঁরা এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে নাম নথিভুক্ত করেননি, তাঁরাও নতুন করে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’-তে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে সবাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। অর্থ দফতরের নির্দেশিকায় সেকথা স্পষ্ট বলা হয়েছে।
কারা কারা পাবেন না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার?
কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের স্থায়ী কর্মচারীরা এই টাকা পাবেন না। এছাড়া পেনশনভোগী, রাজ্য সরকারের অনুমোদিত শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত কর্মী কিংবা আয়করদাতারাও এই প্রকল্পের বাইরে থাকবেন। এছাড়াও প্রায় ৯১ লক্ষ নাম খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। কেউ মারা গিয়ে থাকলে বা বাংলাদেশি নাগরিক হলে তাঁদের নাম বাতিল করা হবে। যাঁদের নাম SIR তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের নাগরিকত্বও আলাদা করে যাচাই করা হবে।
ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের (Annapurna Bhandar) অফিসিয়াল পোর্টাল। সেখানে লগ ইন করে আবেদন সংক্রান্ত তথ্য ও স্টেটাস দেখা যাবে। ওয়েবসাইটে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এখনও নতুন রেজিস্ট্রেশনের অপশন পুরোপুরি সক্রিয় হয়নি। অনেকেই লগ ইন করতে গিয়ে ‘ইনভ্যালিড’ দেখাচ্ছে বলে সমস্যার মুখে পড়ছেন। ফলে প্রযুক্তিগত ত্রুটি মেটার পরেই সম্পূর্ণভাবে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ নারী নির্যাতন রুখতে এবার কড়া নজরদারি, IPS দময়ন্তী সেনকে নিয়ে বিশেষ কমিশন গড়লেন শুভেন্দু
সরকার জানিয়েছে, গ্রামাঞ্চলে জমা পড়া আবেদন যাচাই করবেন BDO। শহর এলাকায় সেই দায়িত্ব থাকবে মহকুমা শাসকের উপর। কলকাতা পুরসভা এলাকায় আবেদন যাচাই করবে পুর কমিশনারের দফতর। অনুমোদনের পর আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা (Annapurna Bhandar) পাঠানো হবে।













