ফলতা উপনির্বাচনে বিজেপির দাপট, পিছিয়ে তৃণমূল-কংগ্রেস দু’পক্ষই

Published on:

Published on:

BJP dominates in Falta by-election result
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচনের ফল (Falta By Election Result) ঘোষণার দিন যত এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে একতরফা লড়াইয়ের ছবি। গণনার একের পর এক রাউন্ড শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী আইনজীবী দেবাংশু পণ্ডা। অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম-এর শম্ভু কুড়মি থাকলেও তৃণমূলের ফল কার্যত চরম ভরাডুবির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা ঘিরে যে নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল, তার ছাপ পড়েছে ফলাফলেও।

ফলতার উপনির্বাচনে (Falta By Election Result)কে, কত ভোট পেল ?

উল্লেখ্য, ১৯ রাউন্ডের গণনা শেষে ফলতায় বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৪৭৩। দেবাংশু পণ্ডা এগিয়ে রয়েছেন ৯৯ হাজার ২০৮ ভোটে। ৩৮ হাজার ২৬৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিপিএমের শম্ভু কুড়মি। কংগ্রেসের আব্দুল রেজ্জাক মোল্লা পেয়েছে ৯ হাজার ৭৫৮ ভোট এবং তৃণমূলের ঝুলিতে এসেছে মাত্র ৫ হাজার ৯১৪ ভোট।

ফলতার এই উপনির্বাচনকে ঘিরে শুরু থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। গত ২১ মে ফলতায় ভোটগ্রহণ হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৮৭.৭৩ শতাংশ ভোট পড়েছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই হাইপ্রোফাইল কেন্দ্রে ভোট চলাকালীন অশান্তি ও কারচুপির অভিযোগ ওঠায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। রবিবার সকালে ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণনা শুরুর আগেই মোতায়েন করা হয় বিপুল পুলিশ বাহিনী।

এই নির্বাচন ঘিরে নাটকীয়তা অন্য মাত্রা পায় ভোটপ্রচারের শেষদিনে। স্বঘোষিত ‘পুষ্পা’ নামে পরিচিত তৃণমূলের চর্চিত প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। যদিও মনোনয়ন প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় ব্যালট পেপারে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম থেকেই যায়।

BJP dominates in Falta by-election result

আরও পড়ুন : পার পাবে না কেউ! অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ‘অ্যাকশন’, জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার গড়ার নির্দেশ রাজ্য সরকারের

ফলতা উপনির্বাচনের গণনা যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, ততই বিজেপির বিপুল জয়ের ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।ফলতার পুনর্নির্বাচনের ফল আগামী দিনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।