বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরে বুধবার সকালে ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিজেপি (BJP) নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গুলিতে গুরুতর জখম হলেও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই নেতা। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
প্রাণে বাঁচলেও অবস্থা গুরুতর বিজেপি (BJP) নেতার
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে গঙ্গাসাগর উপকূল থানা এলাকার মধ্যে। আক্রান্ত বিজেপি (BJP) নেতার নাম ত্রিলোকেশ ঢালি। অভিযোগ, সকালবেলায় তিনি প্রতিদিনের মতোই এলাকায় বেরিয়েছিলেন। সেই সময় হঠাৎই বাইকে চেপে দুই দুষ্কৃতী সেখানে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলির আঘাতে গুরুতর জখম হয়ে ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন ত্রিলোকেশ ঢালি। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সেখানে ছুটে যান। তাঁরাই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। রক্তাক্ত অবস্থায় ত্রিলোকেশকে উদ্ধার করে স্থানীয় সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি আপাতত সেখানেই চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর অবস্থা এখন স্থিতিশীল থাকলেও এখনও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। কী কারণে এই হামলা চালানো হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অন্যদিকে ত্রিলোকেশ ঢালির পরিবারের দাবি, এই হামলার নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। আহত নেতার ছেলে ত্রিদীপ ঢালির অভিযোগ, আসন্ন নির্বাচনে তাঁর বাবার বিজেপির (BJP) টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেই কারণেই রাজ্যের শাসক দলের মদতে দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ইতিহাসে প্রথম! যুবকের ‘স্বেচ্ছামৃত্যু’র অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট, বিস্তারিত জানুন…
যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার বলেন, বিজেপি (BJP) প্রায় সব ক্ষেত্রেই তৃণমূলকে দোষারোপ করার চেষ্টা করে। তাঁর দাবি, এটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলও হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি পুলিশকে দ্রুত প্রকৃত অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।












