বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক লড়াই তীব্র হচ্ছে বাংলায়। সেই আবহেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। একগুচ্ছ বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন। বিজেপির সঙ্কল্পপত্র এখনও প্রকাশ হয়নি, কিন্তু বিজেপি (BJP) সরকার গড়তে পারলে কী কী করবে, তার ইঙ্গিত স্পষ্ট দিলেন তিনি। নীচে সহজ ভাষায় দেখে নেওয়া যাক, ঠিক কী কী প্রতিশ্রুতি দিলেন অমিত শাহ।
কী কী প্রতিশ্রুতি দিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)?
১) ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন : শাহ (Amit Shah) বলেন, সারা দেশে সরকারি কর্মীরা সপ্তম বেতন কমিশন পাচ্ছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এখনও ষষ্ঠ কমিশন চলছে। তাঁর প্রতিশ্রুতি রাজ্যে বিজেপি (BJP) সরকার গড়লে ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে।
২) ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সব শূন্যপদে নিয়োগ : চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে বড় ঘোষণা করেন তিনি। বলেন, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদে নিয়োগ করা হবে। কারও ঘুষ দিতে হবে না বলেও আশ্বাস দেন।
৩) লুপ্ত স্থায়ী পদ ফিরিয়ে আনা : শাহের দাবি, অনেক স্থায়ী সরকারি পদ তুলে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি সরকার এলে দু’মাসের মধ্যে সেই লুপ্ত পদগুলো ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হবে।
৪) বয়সসীমায় ৫ বছরের ছাড় : অনেকেই চাকরির পরীক্ষা না-হওয়ায় বয়স পেরিয়ে গিয়েছেন। তাঁদের জন্যও ঘোষণা রয়েছে। বিজেপি সরকার এলে চাকরির বয়সসীমায় পাঁচ বছরের ছাড় দেওয়া হবে বলে জানান শাহ (Amit Shah)।
৫) শরণার্থীদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস : সিএএ প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রয়েছে। তাই হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই।
৬) দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা : শিক্ষক নিয়োগ, এসএসসি, পুর নিয়োগ, রেশন, ১০০ দিনের কাজসহ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শাহ বলেন, বিজেপি সরকার এলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘পরিবর্তন’ মানে কী?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কে আক্রমণ করে শাহ (Amit Shah) বলেন, পরিবর্তন মানে শুধু ক্ষমতা দখল নয়। তাঁর কথায়, পরিবর্তন মানে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা, দুর্নীতি রোখা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা ঠিক করা।

আরও পড়ুনঃ ৬০ লক্ষ নাম কেন বিচারাধীন? ‘অ্যাডজুডিকেশন’ তালিকা ঘিরে মুখ খুললেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক
রায়দিঘির সভা থেকে অমিত শাহের (Amit Shah) দেওয়া এই প্রতিশ্রুতিগুলি এখন রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। নির্বাচনের আগে বিজেপি কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে জল্পনা আরও বাড়ল এই ঘোষণার পর।












