বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার সক্রিয় বিজেপি (BJP) কর্মীকে তৃণমূলে (TMC) যোগদানের জন্য হুমকির সম্মুখীন হতে হল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপি কর্মীর নাম রাজেশ মন্ডল। অভিযোগ স্থানীয় কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটেছে।
তৃণমূলে যোগ না দেওয়ায় বিজেপি (BJP) কর্মীর দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হল
ঘটনাটি ঘটেছে আনন্দপুর থানা এলাকায়। বিজেপি কর্মী রাজেশের দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি আনন্দপুর থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তার অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে এবং সেটা জানাজানি হতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিজেপি কর্মীরা। তারা থানার সামনেও ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান, তারপর নেওয়া হয় রাজেশের থেকে অভিযোগ। কিন্তু এই ঘটনায় তার পরিবার যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে আছেন, জানিয়েছেন রাজেশের স্ত্রী মৌমিতা মন্ডল।
পুলিশ নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বললেও এখনও তার বাড়ির সামনে কোন পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি বলে অভিযোগ। যে ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটেছে সেই ৩০৮ নম্বর বুথে বিজেপি জিতে আসছে ২০১৫ সাল থেকে। বিজেপির জোর ভাঙার জন্য এর আগেও একাধিক বার বিজেপি কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ২০২১ সালে মারধর করা হয়েছিল সুখেন হালদার নামে এক বিজেপি কর্মীকে।
আরও পড়ুন:সপ্তাহ শেষে সোনার দামে বড় চমক! রবিবার শহর কলকাতায় হলুদ ধাতুর দর কত জানুন?
অভিযোগের তীর তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধে। শোনা যাচ্ছে তার নেতৃত্বে অনুগামীরা এই ভাঙচুরের ঘটনা চালিয়েছে। পুলিশ এ ব্যাপারে নিষ্ক্রিয়, সেরকম অভিযোগও উঠছে। ওই বিজেপি কর্মী রাজেশ মন্ডল জানিয়েছেন যে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য তার কাছে হুমকি আসে। তিনি রাজি না হওয়াতে তার দোকান এবং বাইক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন:কলকাতার স্ট্রিট ফুড স্টাইলে মুচমুচে ডালের বড়া, জানুন এই ‘সিক্রেট’ রেসিপি

এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এখনও কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নির্বাচনের আগে এরকম হিংসামূলক ঘটনা সত্যি উদ্বেগের।












