বাংলাহান্ট ডেস্ক: বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রাজ্যকে সময়সীমা বেঁধে দিল আদালত। সুপ্রিম নির্দেশ মতো রাজ্য সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটানো শুরু হলেও এখনও রাজ্য সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত বা সরকার পোষিত স্কুলসহ অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা বঞ্চিত বলে অভিযোগ করে মামলা দায়ের হয়েছিল হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। সেই মামলাতেই একের পর এক কড়া নির্দেশ দিল রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত।
বকেয়া ডিএ ইস্যুতে কড়া হাইকোর্ট | Dearness Allowance
রাজ্য সরকারপোষিত স্কুলগুলির শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা কি বকেয়া ডিএ ইস্যুতে রাজ্যকে অবস্থান স্পষ্ট করতে বলল হাই কোর্ট। আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ বিষয়ে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। লিখিত ভাবে অবস্থান জানানোর নির্দেশ রাজ্যকে। রাজ্য সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত বা সরকার পোষিত স্কুলসহ অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বকেয়া নিয়ে সরকারকে অবস্থান স্পষ্ট করতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ।
মামলাকারী সংগঠন অল বেঙ্গল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন বা এবিটিএ-র দায়ের করা মামলায় সরকারপোষিত শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মীদের ডিএ ইস্যুতে রাজ্যকে অবস্থান স্পষ্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, মামলাকারী সংগঠবনের বক্তব্য ছিল, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ দিতে শুরু করেছে। সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। মহার্ঘ ভাতা কারা কীভাবে পাবে, সে সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে করেছে রাজ্যের অর্থদপ্তর। কিন্তু রাজ্য সরকারি সহায়তা প্রাপ্ত স্কুলগুলির শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত কোনও আপডেট এখনও নেই।

আরও পড়ুন: পরীক্ষার মুখে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে অনিশ্চয়তা! ২১ সেপ্টেম্বর শুরু উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টার
এই বিষয়েই হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল। আদালতের রায়ে এবার গ্রান্ট ইন এইড কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে জট খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ইস্যুতে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা মহার্ঘভাতার কিছু অংশ পেলেও সরকারপোষিত এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষকরা এক টাকাও পাননি। সম্প্রতি এই বিষয়ে ফের মুখ্যসচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।’’














