সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ স্থগিত! শিক্ষকদের ভোটের কাজে সবুজ সঙ্কেত হাই কোর্টের

Published on:

Published on:

Calcutta High Court Relief College Teachers Can Be Deployed for Election Duty
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের ঠিক আগেই বড় স্বস্তি পেল নির্বাচন কমিশন। কলেজ শিক্ষকদের ভোটের কাজে নিয়োগ নিয়ে যে আইনি জট তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত কেটে গেল। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ সিঙ্গেল বেঞ্চের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে জানিয়ে দিয়েছে, এখনই ভোটের কাজে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে কোনও বাধা নেই।

কলেজ শিক্ষক ভোটের দায়িত্ব আদালতের (Calcutta High Court) সবুজ সংকেত

ভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রক্রিয়ায় সরকারি কর্মীদের ভূমিকা কতটা জরুরি, তা আবারও স্পষ্ট করল কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয় গুপ্তার বেঞ্চ জানায়, কলেজ শিক্ষকেরা রাজ্যের সরকারি কর্মী হিসেবেই গণ্য হন। তাই নির্বাচনের কাজে তাঁদের নিয়োগে আইনি বাধা থাকার কথা নয়।

এর আগে সিঙ্গেল বেঞ্চ কলেজ শিক্ষকদের ভোটের কাজে লাগানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু সেই নির্দেশই এবার স্থগিত করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। ফলে আপাতত বুথে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের সামনে আর কোনও বাধা থাকল না। আদালত (Calcutta High Court) আরও জানায়, যাঁরা এই মামলা করেছিলেন, তাঁদের অনেকেই ইতিমধ্যেই কমিশনের নির্দেশ মেনে ভোটের কাজে যোগ দিয়েছেন। এর থেকেই বোঝা যায়, বিষয়টি নিয়ে সম্পূর্ণ আপত্তি ছিল না বলেই মনে করছে আদালত।

কেন স্থগিত হল আগের নির্দেশ?

ডিভিশন বেঞ্চের মতে, মামলার হলফনামায় একাধিক ত্রুটি ছিল। অভিযোগগুলি যথাযথভাবে প্রমাণিত হয়নি। বিশেষ করে সেক্টর অফিসার ও অবজার্ভারদের ভূমিকা নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল, তা ভিত্তিহীন বলেই মনে করেছে আদালত (Calcutta High Court)। বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানায়, প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব আলাদা এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে সেক্টর অফিসার বা অবজার্ভারদের ভূমিকা মূলত প্রশাসনিক। তাঁদের মধ্যে কাজের কোনও সংঘাত বা হস্তক্ষেপের প্রশ্ন ওঠে না। এই বিষয়টি সিঙ্গেল বেঞ্চের নজরে আসেনি বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে আদালত।

কমিশনের কাজের ধরন নিয়ে প্রশ্নও তুলেছে আদালত। যদিও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে, তবুও নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আদালত জানিয়েছে, ঠিক কতজন শিক্ষককে ভোটের কাজে প্রয়োজন, তার স্পষ্ট হিসেব কমিশন দিতে পারেনি।

Calcutta High Court

আরও পড়ুনঃ ‘সুপ্রিম কোর্টে আর ঢুকতেই দেব না!’ নেতাজিকে নিয়ে জনস্বার্থ মামলায় বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি প্রধান বিচারপতির

তবে ২০২৩ সালের কমিশনের বিজ্ঞপ্তিকেই আপাতত মান্যতা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিচারপতিরা (Calcutta High Court) সতর্ক করে দিয়েছেন, ভোটের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এই অবস্থায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বড় কোনও পরিবর্তন আনা হলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।