বাংলাহান্ট ডেস্ক: ২০২৬-এ বিধানসভা ভোটে পরাজয়, তারপর থেকে একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দু’দিন আগেই ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের বিলবোর্ড ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে পৌঁছায়। এরই মধ্যে এবার তৃণমূলের ‘যুবরাজের’ বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস জবরদখলের অভিযোগ।
অফিস জবরদখলের অভিযোগ, নোটিস অভিষেকদের | Abhishek Banerjee
সূত্রের খবর, ২০২০ সালে ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের বাড়ির মালিকের সঙ্গে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের চুক্তি হয়। যেখানে সই করেছিলেন তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী (বর্তমানে জেলবন্দি) সই করেছিলেন ওই চুক্তিতে। এখন মালিকপক্ষের অভিযোগ, চুক্তিতে যে যে শর্ত ছিল তার কোনোটাই মানা হয়নি।
বাড়িওয়ালার আরও অভিযোগ, তাদের সিসির জন্য বারবার বলা হলেও তা করা হয়নি। সিসি ছাড়াই প্রভাব খাটিয়ে দু’টো ফ্লোর দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিককে না জানিয়েই বিল বোর্ড লাগানোর মতো অভিযোগও তোলা হয়েছে। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। একটি নোটিস পাঠানো হয়েছে অভিষেককে।
মালিকপক্ষের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, নোটিসের পর যদি কোনও অ্যাকশন না নেওয়া হয়, তাহলে থানায় যাওয়া হবে। সেখানেও কাজ না হলে আদালতে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের হোর্ডিংকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। হোর্ডিং অবৈধ, এই অভিযোগ তুলে পুরসভার কর্মীরা তা ভাঙতে এলে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়।

আরও পড়ুন: ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ টি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র! ভারতে বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল নেপাল
পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের কর্মীরা। ধস্তাধস্তিতে জড়ান অভিষেকও। যদিও পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা সেই বিল বোর্ড গ্যাস কাটার দিয়ে কেটে দেন। ঘটনার জল গড়ায় আদালতে। এই ভাবে বিলবোর্ড ভেঙে ফেলা বেআইনি বলে অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে যান অভিষেক। পুরসভার কাছে এই সংক্রান্ত কোনও নোটিস ছিল না বলেও অভিযোগ তোলা হয়। হাইকোর্টে মামলা হলে অবশ্য বিচারপতি জানান, মামলার কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই।













