NEET প্রশ্নফাঁসের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কেমিস্ট্রির অধ্যাপক! সিবিআই জেরায় সামনে বিস্ফোরক তথ্য

Published on:

Published on:

CBI arrested chemistry professor is 'Mastermind' of NEET question paper leak
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলে দেওয়া নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডেঅবশেষে বড় পদক্ষেপ সিবিআইয়ের। কোটি কোটি পড়ুয়ার স্বপ্ন জড়িয়ে থাকা মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষাকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে এবার ধরা পড়ল মূল চক্রী বলে দাবি তদন্তকারীদের। পুণে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক কেমিস্ট্রি অধ্যাপককে, যিনি গোপনে নিট পরীক্ষার প্রশ্ন আগেভাগেই কিছু পরীক্ষার্থীর হাতে তুলে দিতেন বলে অভিযোগ।

কে নিট (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত?

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে ধৃত অধ্যাপকের নাম পিভি কুলকার্নি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট ইউজি পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত কিছু পরীক্ষার্থীর কাছে প্রশ্ন পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তিনি ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই সংস্থাই সারা দেশে নিট পরীক্ষার আয়োজন করে থাকে।

তদন্তকারীদের দাবি, পরীক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়েই তিনি প্রশ্নপত্রের গোপন তথ্য সংগ্রহ করতেন। অবসরপ্রাপ্ত এই অধ্যাপক বহু বছর ধরে নিট পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্বে থাকা প্যানেলের সদস্য ছিলেন। সেই কারণেই পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন সম্পর্কে আগাম ধারণা তাঁর ছিল।

জানা গেছে, এপ্রিল মাসের শেষের দিকে তিনি ‘স্পেশাল ক্লাস’-এর আয়োজন করেন। সেই ক্লাসেই পরীক্ষার্থীদের সম্ভাব্য প্রশ্ন, অপশন এবং উত্তর জানিয়ে দেওয়া হত। এই ঘটনায় তাঁর সহযোগী হিসেবে মনীষা বাঘমারের নামও সামনে এসেছে। ইতিমধ্যেই তাকেও গ্রেফতার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে,

অভিযুক্ত কেমিস্ট্রি শিক্ষক মুখে মুখেই প্রশ্ন উত্তর বলে দিয়েছিলেন স্পেশাল কোচিং ক্লাসে। পড়ুয়ারা সেই প্রশ্ন নোট করে, নিট পরীক্ষা দিতে বসে তারা দেখে হুবহু এক প্রশ্ন এসেছে। জানা গিয়েছে, ওই স্পেশাল ক্লাস করার জন্য পড়ুয়াকা লক্ষাধিক টাকা দিয়েছিল। তদন্তকারীদের মতে, গোটা চক্রটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে কাজ করত।

CBI arrested chemistry professor is 'Mastermind' of NEET question paper leak

আরও পড়ুন : কত আয়, কত সোনা, ব্যাঙ্কে কত টাকা? সামনে এল অভিষেকের সব সম্পত্তির হিসেব

উল্লেখ্য, পরীক্ষার আগেই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পড়ুয়াদের কাছে প্রশ্ন পৌঁছে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত এই মামলায় মোট ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে প্রশ্নফাঁসের জাল কতদূর বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিবিআই।