দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য বড় বদল CBSE-র! বাদ পড়ছে এই বিষয়, এবার থেকে কী কী পড়তে হবে?

Published on:

Published on:

CBSE class 10 term 2 exam when the schedule released
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নবম ও দশম শ্রেণির পড়াশোনা এবং পরীক্ষার নিয়মে একাধিক পরিবর্তন আনছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)। আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন পাঠ্যক্রমের নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে বোর্ড। সেখানে দশম শ্রেণিতে কোন কোন বিষয় পড়তে হবে, কীভাবে পরীক্ষা হবে এবং পাশ করতে কত নম্বর প্রয়োজন, সবটাই জানানো হয়েছে। নতুন নিয়মে পরিবেশবিদ্যা আর বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে থাকছে না। অন্যদিকে, বৃত্তিমূলক শিক্ষা পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে এই পরিবর্তন এখনই সব পড়ুয়ার জন্য কার্যকর হচ্ছে না।

দশম শ্রেণির নতুন সিলেবাসে কী কী পরিবর্তন আনল CBSE?

২৯ অক্টোবর প্রকাশিত CBSE-র নির্দেশিকা অনুযায়ী, নতুন নিয়ম চালু হবে ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষের দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য। অর্থাৎ, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে যারা দশম শ্রেণিতে পড়ছে, তাদের পুরনো নিয়মেই পরীক্ষা দিতে হবে।

নতুন নিয়মে দশম শ্রেণিতে মোট ন’টি বিষয় পড়তে হবে। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি ভাষা, গণিত, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, কলাশিক্ষা, শারীরশিক্ষা ও সুস্থতা এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষা। এর পাশাপাশি পড়ুয়ারা চাইলে আরও একটি ঐচ্ছিক বিষয় নিতে পারবে। CBSE-র তালিকায় থাকা ৫৭টি বিষয়ের মধ্যে থেকে এই বিষয় বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

ঐচ্ছিক বিষয়ের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ভাষা, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, হোম সায়েন্স, পেইন্টিং, সংগীত এবং ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়। তবে কেউ যদি ঐচ্ছিক হিসেবে কোনও ভাষা নিতে চায়, তাহলে সেটি আগে বেছে নেওয়া তিনটি ভাষার মধ্যে থাকা চলবে না।

এছাড়াও পড়ুয়ারা চাইলে অ্যাডভান্সড গণিত, অ্যাডভান্সড বিজ্ঞান অথবা ২২টি বৃত্তিমূলক দক্ষতাভিত্তিক বিষয়ের মধ্যে থেকে একটি বিষয় বেছে নিতে পারবে। কোন বিষয় নেওয়া হচ্ছে, তার উপর নির্ভর করেই সেই বিষয়ের পরীক্ষা ও মূল্যায়ন হবে।

কোন কোন বিষয়ে দিতে হবে বোর্ডের পরীক্ষা?

নতুন নিয়মে পাঁচটি বাধ্যতামূলক বিষয়ে বোর্ডের পরীক্ষা দিতে হবে। এই বিষয়গুলি হল R1 ও R2 ভাষা, গণিত, বিজ্ঞান এবং সমাজবিজ্ঞান। এছাড়া পড়ুয়ারা যদি অতিরিক্ত কোনও বিষয় বেছে নেয়, তাহলে সেই বিষয়েও বোর্ডের পরীক্ষা দিতে হতে পারে।

অন্যদিকে, R3 ভাষা, কলাশিক্ষা এবং শারীরশিক্ষা ও সুস্থতার পরীক্ষা স্কুলের তরফেই নেওয়া হবে। অর্থাৎ, এই বিষয়গুলির মূল্যায়ন হবে স্কুলের অভ্যন্তরীণ পদ্ধতিতে। কলাশিক্ষা এবং শারীরশিক্ষা ও সুস্থতার ক্ষেত্রে নম্বর দেওয়া হবে না, তার বদলে গ্রেড দেওয়া হবে।

পাশ করতে কত নম্বর পেতে হবে?

নতুন নিয়মে পাঁচটি বাধ্যতামূলক বিষয়ে পাশ করার জন্য মোট নম্বরের অন্তত ৩৩ শতাংশ পেতে হবে। বোর্ডের পরীক্ষার নম্বর এবং স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের নম্বর একসঙ্গে যোগ করেই পাশের হিসেব করা হবে।

CBSE who is eligible for the scholarship of 500 per month

আরও পড়ুনঃ ৪৫ হাজার টাকা বেসিক পে থেকে HRA, সপ্তম পে কমিশনে রাজ্য সরকারি কর্মীদের দাবি কী কী?

ধরা যাক, বোর্ডের পরীক্ষায় মোট ৮০ নম্বরের মধ্যে কোনও পড়ুয়া ২৪ পেয়েছে। অন্যদিকে, স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে ২০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ৯। তাহলে সব মিলিয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে তার প্রাপ্ত নম্বর হবে ৩৩। অর্থাৎ, এই নম্বর পেলেই ওই বিষয়ে পাশের শর্ত পূরণ হবে (CBSE)।