বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, সরকার ডিজেলের ওপর রফতানি শুল্ক (Diesel Export Duty) বাড়িয়েছে। যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের জেরে রফতানি শুল্ক প্রতি লিটারে ২১.৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫.৫ টাকা করা হয়েছে। এদিকে, সামগ্রিকভাবে সরকারের এই পদক্ষেপটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মূলত, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে, এই সিদ্ধান্ত অভ্যন্তরীণ সরবরাহ নিশ্চিত করবে এবং তেল কোম্পানিগুলির অপ্রত্যাশিত মুনাফা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। এদিকে, এভিয়েশন ফুয়েল (ATF)-এর ওপর শুল্ক প্রতি লিটারে ২৯.৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪২ টাকা করা হয়েছে। তবে, পেট্রোলের ওপর রফতানি শুল্ক শূন্যই রয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের (Diesel Export Duty) অর্থ:
জানিয়ে রাখি যে, অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই সরকার প্রতি লিটার ডিজেলের ওপর রফতানি শুল্ক ৩৪ টাকা বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও, এই সিদ্ধান্তের আরও একটি দিক হল তেল কোম্পানিগুলির অর্জিত অতিরিক্ত ‘অপ্রত্যাশিত মুনাফা’ নিয়ন্ত্রণ করা।

এই সিদ্ধান্তে মিলবে ইতিবাচক ফলাফল: উল্লেখ্য যে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। এমতাবস্থায়, বেসরকারি শোধনাগারগুলি দেশের অভ্যন্তরীণ পাম্পে তেল বিক্রি না করে বিদেশে বিক্রি করে বিপুল মুনাফা করছিল। এই আবহে বর্ধিত শুল্ক তাদের জন্য রফতানিকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে। শুধু তাই নয়, এর ফলে তারা ভারতীয় বাজারে তাদের পণ্য বিক্রি করতে উৎসাহিত হবে। এর মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে সম্ভাব্য জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা এড়ানো যাবে।
অর্থনৈতিক প্রভাব: এদিকে, অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এই সিদ্ধান্তটি সরকারি রাজস্ব এবং মুদ্রাস্ফীতির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। রফতানি শুল্ক থেকে প্রাপ্ত অতিরিক্ত রাজস্ব সরকারকে তার রাজস্ব ঘাটতি কমাতে এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির জন্য ফান্ড সংগ্রহ করতেও সাহায্য করবে।
আরও পড়ুন: মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে ১৫ বছর পূর্ণ করলেন রোহিত! হিটম্যানের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা হার্দিকের
এছাড়াও, দেশে ডিজেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ পরিবহণ খরচ স্থিতিশীল রাখবে। এর ফলে সামগ্রিকভাবে সাধারণ মানুষের জন্য ফল, শাকসবজি এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের আবহে ভারতীয় অর্থনীতিকে সুরক্ষা প্রদানের উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপটি গ্রহণ করা হয়েছে।













