জম্মু-কাশ্মীর থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আসছে বাংলায়? জল্পনার মুখ খুললেন মনোজ আগরওয়াল, বললেন…

Published on:

Published on:

CEO Manoj Agarwal Reacts to Bulletproof Vehicle Buzz in Bengal Polls
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা নিয়ে জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই আবহেই হঠাৎই শোনা যায়, জম্মু-কাশ্মীর থেকে নাকি বুলেটপ্রুফ গাড়ি আনা হয়েছে বাংলায়। এমনকি সেই গাড়ি ভবানীপুরে রুট মার্চেও দেখা গিয়েছে বলে দাবি ওঠে। এই নিয়ে জল্পনা বাড়তেই মুখ খুললেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)। পাশাপাশি, ভোটকে আরও স্বচ্ছ ও নজরদারির আওতায় রাখতে একাধিক নতুন ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

বুলেট প্রুফ গাড়ি প্রসঙ্গে কি বললেন রাজ্যের সিইও (CEO Manoj Agarwal)?

জম্মু-কাশ্মীর থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আনার খবর সামনে আসতেই তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন সিইও মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal)। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ধরনের কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি। সূত্রের দাবি, খাকি রঙের যে গাড়িটির কথা বলা হচ্ছে, সেটি সাধারণত আধা সামরিক বাহিনী বা সিআরপিএফ ব্যবহার করে। গাড়ির ভিতরে একসঙ্গে আটজন কমান্ডো থাকার সুবিধাও রয়েছে। যদিও এই নিয়ে সরকারি ভাবে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি এবং সিইও নিজেই বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন।

অন্যদিকে, বুধবার ভোটের সময় ওয়েবকাস্টিং ব্যবস্থা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিইও মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal), মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা। বৈঠকে জানানো হয়, রাজ্যে মোট ৬৪২টি শ্যাডো জোন চিহ্নিত হয়েছে, যার মধ্যে ইতিমধ্যেই ২৬২টির সমাধান করা হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, ফরাক্কা এবং আলিপুর এলাকায় এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি।

এই সমস্ত এলাকায় নজরদারি বাড়াতে বিশেষ ক্যামেরা বসানো হবে, যার মধ্যে সিম কার্ড থাকবে। ফলে লাইভ মনিটরিংয়ে কোনও সমস্যা হবে না। এছাড়াও ইসিআই সদর দফতর ও জেলা অফিসে বড় স্ক্রিন বসিয়ে গোটা নির্বাচনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রত্যেক আধিকারিকের জন্য আলাদা স্ক্রিনের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। নজরদারি আরও কড়া করতে ১৫ থেকে ২০ জন আইপিএস অফিসারকে শুধুমাত্র মনিটরিংয়ের কাজে নিয়োগ করা হবে।

CEO on Mamata Banerjee

আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গে কড়া নজর কমিশনের, ‘স্পর্শকাতর’ বুথে এবার কী নতুন ব্যবস্থা জানেন?

এর পাশাপাশি এবারের নির্বাচনে প্রথমবার বড় আকারে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ ওয়েবকাস্টিং সফটওয়্যারের মাধ্যমে কোনও বুথে চারজনের বেশি ভোটার একসঙ্গে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে তা ধরা পড়বে। এমনকি ইভিএমের কাছে একাধিক ব্যক্তি উপস্থিত থাকলেও সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে। সব মিলিয়ে, ভোটকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত রাখতে প্রযুক্তি এবং নিরাপত্তা, দুই দিকেই জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।