এক্সপ্রেসওয়েতে ২০ শতাংশ বেশি স্পিডেও কাটবে না চালান! কী জানালেন নীতিন গড়করি?

Updated on:

Updated on:

Challan will not be issued even for 20 percent overspeeding on expressways! What did Nitin Gadkari say?
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: যাঁরা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন তাঁদের জন্য এবার একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে। মূলত, এবার ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটারের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি গতিতে যানবাহন চালালেও চালান (Nitin Gadkari) এড়ানো যাবে। এক্সপ্রেসওয়েতে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য জারি করা চালান প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি এই প্রসঙ্গে বড় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার (Speed Limit) পর্যন্ত গতিতে চলাচলকারী যানবাহনকে চালান (Challan) নোটিশ না পাঠানোর জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, গাড়ির গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটারের চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি হলেও জরিমানা করা উচিত নয়।

কী জানালেন নীতিন গড়করি (Nitin Gadkari)?

স্পিড লিমিট ও নিয়মকানুন মেনে চলা জরুরি: জানিয়ে রাখি যে, কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি তথা CII-এর একটি অনুষ্ঠানে দেশের হাইওয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন যে, এক্সপ্রেসওয়েতে অতিরিক্ত গতির জন্য কিছু চালক চালান নোটিশ পাচ্ছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে, তিনি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতির জন্য নোটিশ মকুব করার এবং সেই সীমার চেয়ে ২০ শতাংশ বেশি গতির ক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এর ফলে, অনুমান করা হচ্ছে যে, ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার স্পিড লিমিটের এলাকায় ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিতে গাড়ি চালালে কোনও চালান দেওয়া হবে না।

Challan will not be issued even for 20 percent overspeeding on expressways! What did Nitin Gadkari say?

তবে, গাড়িচালকদের মনে রাখতে হবে যে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই বিবৃতিকে গতিসীমাস্পিড লিমিট বৃদ্ধি বা চালান থেকে সরকারি অব্যাহতি হিসাবে গণ্য করা উচিত নয়। বরং, কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট নিয়মাবলি বা সুস্পষ্ট আদেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত, রাস্তায় স্পিড লিমিটের চিহ্ন এবং প্রযোজ্য নিয়মাবলি মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: বিতর্কের আবহেই ১১ নভেম্বর অবসর নেবেন নোয়েল টাটা! ১২ বছর পর ছাড়বেন চেয়ারম্যানের পদ

AI সিস্টেমের মাধ্যমে ট্রাফিক নিয়মকানুন পর্যবেক্ষণ: উল্লেখ্য যে, জাতীয় সড়কগুলিতে ট্রাফিক নিয়ম আরও ভালোভাবে প্রয়োগ করার জন্য একটি AI বেসড অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তথা ATMS চালু করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও নীতিন জোর দিয়েছেন। এই প্রযুক্তি লেন পরিবর্তন এবং লেন শৃঙ্খলা সম্পর্কিত লঙ্ঘন শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে। এর ফলে দেশের ক্রমবর্ধমান হাইওয়ে নেটওয়ার্কে ট্রাফিক নিয়মকানুনের পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োগ আরও উন্নত হতে পারে।

আরও পড়ুন: ২৫,০০০ কোটির মেগা পরিকল্পনা! ইউরোপের এই কোম্পানির দিকে নজর গৌতম আদানির

ই২০ পেট্রোল নিয়ে কী জানিয়েছেন: ওই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ই২০ পেট্রোলকে ঘিরে ওঠা সমালোচনার বিষয়েও কথা বলেন। ই২০ পেট্রোলে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ইথানল থাকে। তিনি এর বিরুদ্ধে হওয়া প্রতিবাদগুলিকে ‘ ‘পেড প্রোপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন যে ২০২২ সালের মধ্যে ৪ কোটি গাড়ি এবং ২০ কোটি দুই চাকার যানবাহনে ই২০ জ্বালানি ব্যবহৃত হচ্ছে। এই জ্বালানি যানবাহনের ব্যাপক ক্ষতি করে বলে যে দাবি করা হয়, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক কেন্দ্রীয় মোটর যানবাহন বিধিমালা, ১৯৮৯ সংশোধনের একদিন পর নীতিনের এই বিবৃতি সামনে এসেছে। এই সংশোধনী অনুযায়ী, ফ্লেক্স-ফুয়েল যানবাহনগুলিকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত ইথানল বা ই১০০ যুক্ত জ্বালানিতে চলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।