‘যেখানে যেভাবে কাজ করতে বলেছে করেছি’! তৃণমূল আমলের বাজেট নিয়ে বিস্ফোরক চন্দ্রিমা

Published on:

Published on:

Chandrima Bhattacharya explosive claim on West Bengal budget during TMC rule
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠদের তালিকায় উপরের দিকে থাকত চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের (Chandrima Bhattacharya) নাম। শনিবার দলনেত্রীর হাত ছেড়েছেন তিনি। মমতাকে চিঠি দিয়ে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সহ সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন দক্ষিণ দমদমের প্রাক্তন বিধায়ক। এরপরেই তৃণমূল আমলের বাজেট (West Bengal Budget) নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক দাবি করলেন তিনি।

তৃণমূল আমলের বাজেট নিয়ে বোমা ফাটালেন চন্দ্রিমা | (Chandrima Bhattacharya)

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন দীর্ঘসময় অর্থ দফতরের দায়িত্ব সামলেছেন চন্দ্রিমা। তৃণমূল আমলে পাঁচবার বাজেট পেশ করেছেন। এবার তাঁর মুখেই শোনা গেল চাঞ্চল্যকর দাবি।

আরও পড়ুনঃ কোন কোন চিকিৎসায় আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাওয়া যায়? কোন কোন ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না জানুন

তৃণমূলের সব পদ থেকে পদত্যাগ করার পর রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থ দফতরের দায়িত্ব থাকলেও তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে বাজেট তৈরি হত না। চন্দ্রিমার কথায়, “আমায় যেখানে যেভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে আমি করেছি। আমার সঙ্গে আলোচনা করে বাজেট তৈরি হত না। সাধারণ মানুষের বাজেট শোনার কয়েক ঘণ্টা আগেই আমি জানতে পারতাম”।

কে বাজেট তৈরি করতেন জিজ্ঞেস করায় রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, তিনি জানেন না। একইসঙ্গে বলেন, “আমি তো সব কথা বলতে পারতাম না। গোপনীয়তা বজায় রাখার শপথ নিয়েছিলাম। সেটা বজায় রাখতে হবে বলে এতদিন কিছু বলিনি”।

Chandrima Bhattacharya reveals the reason behind resigning from all TMC post

ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। মানিকতলার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায় বলেন, “রাজ্যের ৮ লক্ষ কোটি টাকার বেশি ঋণ আছে। ও (চন্দ্রিমা) দায় এড়াতে পারে না। আর অর্থ দফতরকে যে ক্যাবিনেট স্টেটাস দেওয়া হয়নি, রাষ্ট্রমন্ত্রীর স্টেটাস ছিল, সেটা কেউ বলছে না। সেই জন্য যা হওয়ার তাই হয়েছে”।

এদিকে চন্দ্রিমা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন তিনি কেন তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী জানান, মমতা তাঁর আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আজ ইস্তফা দেওয়ার পর বিধানসভায় গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে বৈঠক করেন তিনি। এরপর তাঁর বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখানোর জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।