বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ প্রথমবার কোচবিহার সফরে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানেই এদিন ঐতিহ্যবাহী মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিলেন। একইসাথে দিনভর ঠাসা কর্মসূচি সেরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। সেখানে কী কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিলেন শুভেন্দু অধিকারী
এদিন সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি জানান, ‘কোচবিহার শহরে আসবো আর মদনমোহন জির দর্শন করব না, পঞ্চানন বর্মা কে ফুল দেব না সেটা তো হতে পারে না। এই সমস্ত কাজ আমাদের হাজার বছরের পুরনো। এখানে অনেক কাজ হবে ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট বেশ কিছু প্ল্যানিং করে রেখেছেন। ওনাকে বলে দিয়েছি টাকা পয়সার কোন সমস্যা হবে না। ২ কোটি টাকার ডিপিআর করেছে। এতে হবে না। বলা আরও বেশি টাকার ডিপিআর তৈরি করতে হবে।’
অতীতের মূর্তি চুরি হওয়া প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ‘এখন তো এসব হয় না । পাস্ট ইজ পাস্ট।’ অতীতে এই কোচবিহারের মাটিতে এই শুভেন্দু অধিকারীর ওপর অ্যাটাক করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে হাসিমুখেই মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ‘ রাধামাধবের অশেষ কৃপা যে এখানে পা রাখতে পেরেছি। আজকে পুষ্পাঞ্জলি, পুজা, আনন্দ মহিমা, মা তারা সবার দর্শন করতে পেরেছি।’ একইসাথে করজোড়ে তিনি বললেন, ‘ভগবান, উনি শক্তি দিয়েছেন। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে জনগণ, গণদেবতা।’
আরও পড়ুনঃ যোগ্য হয়েও বাদ অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে! সেই সকল মহিলাদের জন্য এবার বড় পদক্ষেপ সাংসদ সৌমিত্র খাঁর
বিমানবন্দর প্রসঙ্গে তিনি বললেন ‘ ২৮ তারিখ কেন্দ্রীয় অসামরিক পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডু এবং আমি আলোচনা করবো তাতে কোচবিহার থাকছে। আমি ২০২৬ সালের ৯ই মে শপথ নিয়েছি। ৯ মে ২০২৭-এর মধ্যে কোচবিহারবাসীর যা যা স্বপ্ন পূরণ করার তা করবো। এক বছর সময় দিতে হবে। রিপ্যায়ার,প্ল্যান, ক্ষতিপূরণ, পরিকল্পনা, বরাদ্দ সবই শুরু হয়ে গিয়েছে, এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের প্রথম যে টেন্ডার বেরিয়েছে দেখবেন তাতে অধিক সংখ্যক কাজ কোচবিহার জেলার জন্যই আমরা রেখেছি।’
একইসাথে মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, ‘এর বাইরেও এখানে সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পগুলির মধ্যে যে সমস্ত ফ্লাগশিপ প্রজেক্ট রয়েছে আমাদের জল জীবন মিশন, প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর, অন্নপূর্ণা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং পিএম কিষাণ সম্মান নিধি এবং সঙ্গে কৃষক বন্ধু ভেরিফিকেশন এই সব কাজ একসঙ্গে আমরা করছি । ভালো হবে।’














