বাংলা হান্ট ডেস্ক : সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কাণ্ডের রেশ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। এরই মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনার এই অঞ্চলে রাজ্য পুলিশের বিশেষ অভিযানে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি। শনিবার ভোর থেকে শেখ শাহাজাহানের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে তদন্তকারীরা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছেন। ইতিমধ্যেই ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এই ঘটনা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজে তার এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন।
সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) উদ্ধার আগেয়াস্ত্র
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ), জেলা পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা সন্দেশখালির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করেন। সরবেড়িয়া, আকুঞ্জিপাড়া, বাসন্তী ও কুমড়োখালি-সহ একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি চলে। অভিযানের সময় কয়েকটি সন্দেহভাজন আস্তানা এবং জলাশয় খতিয়ে দেখা হয়।
তদন্তকারীদের দাবি, কয়েকটি জায়গা তল্লাশি চালিয়ে ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৩৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে অন্যান্য স্থানেও তল্লাশি চালানো হলে আরও অস্ত্রের সন্ধান মেলে। অভিযানের সূত্র ধরে শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মণিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রসেনজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছয় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ সেখানে তল্লাশি চালানো হয়।
এদিন এসটিএফ তৃণমূল নেতা রবীন দাস এবং তাঁর ভাই গোপাল দাসের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর একটি পুকুর থেকে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে বলে সূত্রের খবর। এসটিএফ জানিয়েছে, এ দিনের অভিযানে মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আরও পড়ুন :অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত নিতে অস্বীকার বাংলাদেশের! উল্টে ভারতকেই দুষল ঢাকা
মুখ্যমন্ত্রী নিজে এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘটনার ভিডিও সহ বিবরণ পোস্ট করেন। লেখেন, “এই বড় সাফল্যের জন্য পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে সাধুবাদ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) কুমরাখালী, বাসন্তী ও সন্দেশখালী এলাকার সারবেরিয়া বাজার নিকটবর্তী একাধিক স্থানে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। শান্তি বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদের ভান্ডার সফলভাবে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।এই সফল অভিযানের জন্য ডিজিপি, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, এসটিএফ দল এবং বসিরহাট থানার কর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপ ও অনুকরণীয় সমন্বয়ের আমি ভূয়সী প্রশংসা করি।”














