ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে দুর্গাপুজোর ভিআইপি টিকিট বিক্রি? অভিযোগ দায়ের ইন্দ্রনীল সেন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে

Published on:

Published on:

Complaint filed against Indranil Sen for selling VIP tickets for Durga Puja
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল কলকাতার দুর্গাপুজো। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত এই উৎসবকে ঘিরে বিশেষ প্রবেশাধিকার দেওয়ার নামে টিকিট বিক্রির অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি থেকে সাংস্কৃতিক মহল। অভিযোগের তির এবার প্রাক্তন মন্ত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen) এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন-সহ আরও কয়েক জনের দিকে।

দুর্গাপুজোকে ঘিরে ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) বিরুদ্ধে অভিযোগ

ইউনেস্কোর (UNESCO) নাম ও লোগো ব্যবহার করে কলকাতার দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে একটি বাণিজ্যিক কার্যকলাপ চালানোর অভিযোগে কলকাতা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে ‘মেঘদূত ফাউন্ডেশন’। সংস্থার অভিযোগ, পুজোর আগে বিশেষ প্রবেশাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘প্রিভিউ শো’ বা ‘প্রিভিলেজড প্রি-পুজো এন্ট্রি’র টিকিট বিক্রি করা হচ্ছিল, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

সোমবার এই বিষয়ে কলকাতা পুলিশের কমিশনার (CP), রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (DG) এবং বৌবাজার থানার কাছে পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ দায়ের করেছেন সংস্থার দুই প্রতিনিধি জয়দীপ মুখোপাধ্যায় এবং সগুনা মুখোপাধ্যায়। অভিযোগপত্রে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ইন্দ্রনীল সেন, তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেন, ধ্রুবজ্যোতি বসু (শুভ), সায়ন্তন মৈত্র এবং রাজন চট্টোপাধ্যায়।

অভিযোগকারী সংস্থার বক্তব্য, ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের কাছে এমন ধারণা তৈরি করা হচ্ছিল যে সংস্থাটির অনুমোদনেই বিশেষ টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। এই টিকিটের মাধ্যমে পুজো শুরু হওয়ার আগেই নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে মণ্ডপ পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে অভিযোগ।

Complaint filed against Indranil Sen for selling VIP tickets for Durga Puja

আরও পড়ুন : রাতের বুলডোজার অ্যাকশনের জেরে আইনি লড়াই, হাই কোর্টে গেলেন যাদবপুরের ব্যবসায়ীরা

তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ইউনেস্কো কখনও এই ধরনের বাণিজ্যিক উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়নি। সংস্থার আরও অভিযোগ, ‘প্রিভিলেজড এন্ট্রি’র নামে সীমিত সংখ্যক দর্শনার্থীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা উদ্দেশ্যে ছিল। অভিযোগের সঙ্গে জমা পড়া নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।