স্কুল ইউনিফর্মে বড় দুর্নীতি! রিপোর্ট তলব করলেন মুখ্যমন্ত্রী

Published on:

Published on:

corruption in school uniforms! CM Suvendu Adhikari seeks report
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই একের পর এক পুরনো প্রকল্প ও বরাদ্দ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে নতুন প্রশাসন। ইতিমধ্যেই চাকরি নিয়োগ, শিক্ষা, রেশন এবং আবাস প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছে সরকার। এবার সরকারি স্কুলের ইউনিফর্ম (School Uniform Scam) বিতরণ নিয়েও উঠল গুরুতর প্রশ্ন। নিম্নমানের কাপড়, ভুল মাপের পোশাক এবং বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

স্কুল ইউনিফর্ম দুর্নীতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)

নবান্নে বিভিন্ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য তৈরি ইউনিফর্মের মান নিয়ে ওঠা একাধিক অভিযোগ আলোচনায় উঠে আসে। সূত্রের খবর, বৈঠকে বস্ত্র দফতর ও অর্থ দফতরের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন শুভেন্দু অধিকারী।

মুখ্যমন্ত্রী জানতে চান, যে ইউনিফর্মগুলি এতদিন ধরে স্কুলগুলিতে সরবরাহ করা হয়েছে, সেগুলির গুণগত মান পরীক্ষা করা হয়েছিল কি না। কোন সংস্থাকে কী নিয়মে বরাত দেওয়া হয়েছিল এবং সেই বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনও অনিয়ম ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি পুরো বিষয়টির তদন্ত করে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, সরকারি স্কুলের ইউনিফর্ম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল। কোথাও পড়ুয়াদের দেওয়া পোশাকের মাপ ঠিক নয়, কোথাও আবার কাপড়ের মান এতটাই খারাপ ছিল যে অল্প সময়ের মধ্যেই তা ছিঁড়ে যাচ্ছে। অভিভাবক ও শিক্ষক মহলের একাংশও স্কুল ইউনিফর্মের এই সমস্যা নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভবিষ্যতে ইউনিফর্মের গুণমান পরীক্ষা না করে কোনও বরাদ্দ দেওয়া যাবে না।

corruption in school uniforms! CM Suvendu Adhikari seeks report

আরও পড়ুন : DA মামলায় নয়া মোড়! রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলা নিয়ে বড় তথ্য দিল সুপ্রিম কোর্ট

একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, এই ঘটনায় যারা দায়ী তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পুরো ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্টও তলব করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাই এই বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট করতে চেয়েছে নতুন প্রশাসন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।