বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গ্রান্ট ইন এইড-দের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি এখনও। রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মামলায় সম্প্রতি সুপ্রিম ইন্দু মলহোত্রের নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা করেছে সুপ্রিম কোর্টে। কিন্তু সেই রিপোর্ট নিয়ে সমস্যা। মনিটরিং কমিটির জমা করা রিপোর্টে উল্লেখ নেই শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ কর্মীদের দাবির। যা নিয়ে এক প্রকার ক্ষুব্ধ সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও শিক্ষক সংগঠনগুলি।
বকেয়া ডিএ না মেলায় ক্ষোভ পোষিতদের | Dearness Allowance
পোষিতদের অভিযোগ, মনিটরিং কমিটির তরফে রিপোর্ট তৈরির আগে মামলার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কর্মচারী ও শিক্ষক সংগঠনের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই সময় জানানো হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতে তৃতীয় স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময় সেই তথ্য বিবেচনা করা হবে। কিন্তু সেই দাবির প্রতিফলন রিপোর্টে নেই বলেই অভিযোগ ‘গ্রান্ট-ইন-এইড’ কর্মীদের।
১৪ অক্টোবর ৬৪ পাতার তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্টে মূলত ২০০৮ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ এবং ডিআর বণ্টনের অগ্রগতির হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। তবে সেই রিপোর্টে আলাদা করে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের দাবি সংক্রান্ত কোনো আলোচনা নেই বলে অভিযোগ সরকারি কর্মীদের।

রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মামলার পরবর্তী শুনানি লক্ষ্মীপুজোর পর। আগামী ২৭ অক্টোবর মূল মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত। তার আগে মনিটরিং কমিটির ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী এবং গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের মধ্যে।
আরও পড়ুন: ২০৯ থেকে ২৭৫, কীভাবে বাড়বে বিজেপির সমর্থন? বিরোধীদের নিয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু
রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সরকারি কর্মচারীরা। কেন পূর্বের প্রতিশ্রুতি মতো বকেয়া না মিটিয়ে মনিটরিং কমিটির রিপোর্ট রাজ্য বিবেচনা করছে সেই প্রশ্ন তাঁদের। একইসাথে তাঁদের হুঁশিয়ারি, ভোটের আগে বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তা না মানা হলে ঠিক হবেনা বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।














