বাংলা হান্ট ডেস্কঃ সুপ্রিম কোর্টে নয়া মোড় নিয়েছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মামলা (Dearness Allowance)। আদালতের চূড়ান্ত রায়দানের পরও সরকার তরফে বকেয়া মেটানোর জন্য কোনো পদক্ষেপ না করায় ফের দায়ের হয়েছে আদালত অবমাননার মামলা। অর্থাৎ ফের আইনি লড়াই। ২৫ মার্চ, ২০২৫ থেকে ৮ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত ১৩বার ডিএ মামলা সর্বোচ্চ আদালতে উঠেছে বলে জানিয়েছিলেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। এবার সেই মামলা লড়তে আইনজীবীদের জন্য কত পরিমাণ খরচা হয়েছে সেই নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন তিনি।
বকেয়া ডিএ ইস্যুতে ক্ষুব্ধ কর্মচারী সমাজ | Dearness Allowance
ডিএ ইস্যুতে যথেষ্ট সরগরম পরিস্থিতি রাজ্যে। আইনি লড়াইয়ে জয় মিললেও বকেয়া না মেলায় সমানে ক্ষোভ বাড়ছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে। এরই মধ্যে সমাজমাধ্যমে বিস্ফোরক মলয় মুখোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবি মাননীয় কপিল সিব্বাল এবং মাননীয় অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিকে রাজ্য সরকার সমস্ত মামলা লড়ার জন্য কত টাকা খরচ বহন করেছে সেই নিয়ে বড় মন্তব্য সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতার।
ফেসবুকে মলয়বাবু লিখেছেন, ‘তথ্যের অধিকার আন্দোলনের কর্মী মাননীয় অমিতাভচৌধুরীর করা (২৮/০৯/২৫) এক RTI -এর মাধ্যমে জানা গেল যে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবি মাননীয় কপিল সিব্বাল এবং মাননীয় অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিকে রাজ্য সরকার যথাক্রমে ৩ কোটি ১৬ লক্ষ এবং ৪ কোটি ৬২ লক্ষ ৫০ হাজার রাজ্য কোষাগার থেকে ব্যয় করেছেন।’
আরও পড়ুন: মমতার পথেই হাঁটছেন সেলিম? ক্ষমতায় এলে মহিলাদের আরও বেশি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন
তিনি আরও লিখেছেন, ‘বিগত ৬ বছরে মোট ৫১ জন আইনজীবিদের জন্য ব্যয় হয়েছে মোট ৮৭কোটি ৭৭ লক্ষ ১৭ হাঃ ৪৪৯ টাকা।’ এই তথ্য সামনে আসার পর ক্ষোভ বেড়েছে সরকারি কর্মীদের। যেখানে আদালতের নির্দেশ থাকার পরও সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানো হচ্ছে না, সেখানে আইনজীবীদের পেছনে এত পরিমাণ অর্থ ব্যয় হওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন সরকারি কর্মীরা। যদিও এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করেনি বাংলাহান্ট।

আরও পড়ুন: ভাজার নাম শুনলেই বাড়তি তেলের ভয়! জেনে নিন কম তেলে খাস্তা বেগুন বানানোর ঘরোয়া টেকনিক
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে যে ডিএ মামলায় রায় দিয়েছে তা পঞ্চম পে কমিশনের। সেটার পরিমাণ রাজ্য সরকার যা হিসেব দিয়েছিল তাতে হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা। আদালত অবিলম্বে এর ২৫% মিটিয়ে দিতে বলেছে। যার পরিমাণ হচ্ছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা।













