বাংলাহান্ট ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়েছে গৃহস্থালীতে। রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জেরে মাথায় হাত মধ্যবিত্তের। এদিকে বর্তমান পরিস্থিতির জের পড়তে চলেছে পর্যটনেও। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, বাণিজ্যিক গ্যাসে (Liquefied petroleum gas) ঘাটতি দেখা দিলে বেঙ্গালুরুর মতো বড় শহরে হোটেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকি উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের মতো পর্যটন কেন্দ্রে হোটেল এবং রেস্তোরাঁ শিল্পে বড়সড় প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গ্যাসের দাম (Liquefied petroleum gas) বৃদ্ধিতে দার্জিলিংয়ে হোটেল বন্ধের আশঙ্কা
আশঙ্কা করা হচ্ছে, বাণিজ্যিক গ্যাসের ঘাটতি দেখা দিলে বহু হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধের মুখে চলে যেতে পারে। খাদ্য সামগ্রীর দাম বাড়লে পর্যটকরা সমস্যায় পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বাণিজ্যিক এলপিজি গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের পর্যটন শিল্পে প্রভাব পড়তে শুরু করে দিয়েছে।

বন্ধ হতে পারে হোটেল: সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমা ২৫ দিন করে দিয়েছে। এমতাবস্থায় হোটেল ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি যদি দ্রুত স্বাভাবিক না হয় তবে দার্জিলিং এবং সিকিমের বহু হোটেল এবং রেস্তোরাঁ সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দিতে হতে পারে। রাজ্য ইকো টুরিজম কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ভরা পর্যটন মরশুমে এমন পরিস্থিতিতে পাহাড়ের হোটেল রেস্তোরাঁগুলি বিপাকে পড়েছে। পাহাড়ের হোটেল, রেস্তোরাঁগুলি এলপিজি গ্যাসের উপরে নির্ভরশীল।
আরও পড়ুন : নির্বাচনে স্বচ্ছতা রাখতে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং, বাড়ি থেকে ভোটদানের সুবিধা, আর কী কী জানাল কমিশন?
কী আশঙ্কা করা হচ্ছে: ভরা মরশুমে এক একটি হোটেলে দিনে অন্তত ১০ টি বাণিজ্যিক এলপিজি গ্যাস (Liquefied petroleum gas) সিলিন্ডার দরকার হয়। রান্নার গ্যাস সরবরাহ যদি ফের স্বাভাবিক না হয় তাহলে কাঠের জ্বালানির ব্যবহার আবার শুরু হবে। ফলে সংরক্ষিত জঙ্গল এলাকায় কাঠপাচারের সমস্যা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন : দেশে ঘাটতি দেখা দিলে গ্যাস পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার কাদের? জানিয়ে দিল সরকার
জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে দার্জিলিং পাহাড়ে সাড়ে তিনশো হোটেল, কয়েক হাজার হোম স্টে রয়েছে। এই পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে তবে পর্যটকদের প্যাকেজ বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।












