বাংলাহান্ট ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই গৃহস্থালীর গ্যাস সিলিন্ডারের (Liquefied petroleum gas) দাম বেড়েছে। শনিবার থেকে ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩৯ টাকায়। অন্যদিকে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা বেড়েছে। এমতাবস্থায় গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে অনেকে চিন্তায় পড়েছেন।
গ্যাস (Liquefied petroleum gas) বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম
বর্তমান পরিস্থিতিতে আবারও পুরনো নিয়ম ফিরিয়ে এনেছে কেন্দ্রীয় সরকার, যেখানে বলা হয়েছে এখন থেকে ২১ দিনের মধ্যে একাধিক গ্যাসের বুকিং করা যাবে না। এমতাবস্থায় অনেকের একটাই প্রশ্ন, গ্যাসের ঘাটতি যদি তৈরি হয় তবে সিলিন্ডার আগে কারা পাবেন?

কোন খাতে সরবরাহ অক্ষুন্ন থাকবে: উল্লেখ্য, ভারতের ‘মিনিস্ট্রি অফ পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস’ গ্যাসের বরাদ্দ এবং বন্টন নিয়ে একটি অগ্রাধিকার তদন্ত প্রকাশ করেছে। দেশে গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাসের সরবরাহ অক্ষুন্ন রাখা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আমজনতার দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত কিছু কিছু ক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহ অক্ষুন্ন থাকবে। কোন কোন ক্ষেত্রে, তাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : গ্যাসের দাম বাড়লেই পাল্লা দিয়ে বাড়বে অটো ভাড়া, চালকদের সঙ্গে আশঙ্কায় যাত্রীরাও
কী জানাল সরকার: সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে বাড়িতে আসা গ্যাস (Liquefied petroleum gas), অটো, গণপরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি, সাধারণ মানুষের রান্নার গ্যাস, বাড়িতে গ্যাস পরিবহনের জন্য বরাদ্দ জ্বালানিতেও কোনও কাটছাঁট করা হবে না। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যাতে কোনও সমস্যা না আসে তার জন্যই এই ক্ষেত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। অন্যদিকে গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হলে কোন কোন ক্ষেত্রে বরাদ্দ কমানো হতে পারে তাও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন : নির্বাচনে স্বচ্ছতা রাখতে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং, বাড়ি থেকে ভোটদানের সুবিধা, আর কী কী জানাল কমিশন?
শিল্প ক্ষেত্রে গ্যাসের বরাদ্দে কাটছাঁট করা হতে পারে। চা শিল্প এবং উৎপাদনের ক্ষেত্রে গত ৬ মাসের গড় ব্যবহারের ৮০ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ, সার কোম্পানির ক্ষেত্রে প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ, তেল সংশোধনাগারের ক্ষেত্রে মাত্র ৬৫ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ। এই পরিস্থিতিতে হোটেল অ্যাসোসিয়েশন ইতিমধ্যে সতর্ক করেছে যে, বাণিজ্যিক গ্যাসের সরবরাহ কমে গেলে বড় শহরগুলিতে হোটেল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।












