GPF নাকি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট? কীভাবে মিলবে বকেয়া DA-এর টাকা? জানুন…

Published on:

Published on:

dearness allowance(102)
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনারদের মধ্যে এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (Dearness Allowance)। কবে টাকা মিলবে, কতটা মিলবে, এসবের পাশাপাশি এখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে আরেকটি বিষয় নিয়ে। সেই টাকা কি সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে, নাকি জিপিএফ (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে?

মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিতেই বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে জল্পনা

মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া বার্তার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে কর্মীদের মধ্যে জল্পনা আরও বেড়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকেই রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে এই অর্থ কীভাবে দেওয়া হবে, তার স্পষ্ট উত্তর মিলবে অর্থ দপ্তরের আসন্ন নির্দেশিকায়।

অবসরপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে কী হবে?

পেনশনার এবং ফ্যামিলি পেনশনারদের ক্ষেত্রে বিষয়টি অনেকটাই পরিষ্কার। অবসর নেওয়ার পরে তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্ট সক্রিয় থাকে না। তাই তাদের বকেয়া ডিএ-র (Dearness Allowance) টাকা সরাসরি যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেনশন জমা হয়, সেই অ্যাকাউন্টেই পাঠিয়ে দেওয়া হবে। অর্থাৎ এই ক্ষেত্রে অন্য কোনো জটিলতা বা বিকল্প পদ্ধতির সম্ভাবনা নেই।

কর্মরত কর্মীদের ক্ষেত্রে কী সম্ভাবনা?

যারা বর্তমানে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। প্রশাসনিক মহলে দুটি সম্ভাব্য পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রথমটি হল কর্মীদের স্যালারি অ্যাকাউন্টে সরাসরি বকেয়া টাকা পাঠিয়ে দেওয়া। এতে কর্মীরা সেই টাকা নিজের মতো ব্যবহার করতে পারবেন। আরেকটি সম্ভাবনা হল সেই টাকা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা। অতীতে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল (SAT) এমন একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যেখানে বকেয়া টাকা জিপিএফে জমা রেখে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লক করে রাখার কথা বলা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কোন পদ্ধতি নেওয়া হবে, তা পুরোপুরি স্পষ্ট হবে অর্থ দপ্তরের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর।

কিস্তিতে টাকা দেওয়ার সম্ভাবনা

এত বিপুল সংখ্যক কর্মীর বকেয়া টাকার সঠিক হিসাব অল্প সময়ের মধ্যে মেলানো সহজ নয় বলেই মনে করছেন অনেকেই। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার কথা রয়েছে। সেই অনুযায়ী মোট বকেয়ার ২৫ শতাংশ প্রথমে এবং বাকি ৭৫ শতাংশ নির্দিষ্ট ভাগে মেটানোর পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। দ্রুত এই প্রক্রিয়া শুরু করতে রাজ্য সরকার প্রথমে একটি থোক টাকা বা লাম্পসাম কিস্তি হিসেবে অর্থ পাঠাতে পারে বলেও প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত মিলছে। পরে বিস্তারিত হিসাব করে পরবর্তী কিস্তিতে সেই টাকার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হতে পারে।

dearness allowance(134)

আরও পড়ুনঃ ভোটের দফা কমতেই নতুন তৎপরতা! এবার আরও বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন

এই মুহূর্তে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনারদের চোখ রয়েছে অর্থ দপ্তরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের দিকে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেই আইনজীবী এবং কর্মী সংগঠনগুলি সেটি খতিয়ে দেখবেন বলে জানা যাচ্ছে। মার্চ মাসের মধ্যেই বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলেই প্রশাসনিক মহলে আলোচনা চলছে।