বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন এবার আরও জটিল রূপ নিল। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) শুনানির সময় রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে ওঠে গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগে বলা হয় ‘ইচ্ছাকৃতভাবে কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে’। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ফের মামলায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
ডিএ (Dearness Allowance) মামলায় নয়া মোড়
আবেদনকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে সাফ জানান, প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটির সামনে তাঁদের বক্তব্য পেশ করার সুযোগই দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, সেই কমিটির রিপোর্টও তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। আইনজীবীর বক্তব্য, এই পুরো প্রক্রিয়াটাই স্বচ্ছ নয়। ফলে কর্মচারীদের একটি অংশকে সুবিধা দিয়ে অন্যদের বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা কার্যত “বিভাজন তৈরি” করার সমান।
শুনানির সময় আবেদনকারীদের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়, এই পরিস্থিতিতে তাঁরা আদালত অবমাননার আবেদন জমা দিতে বাধ্য হয়েছেন। কারণ, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা সঠিকভাবে কার্যকর হয়নি বলে তাঁদের দাবি। এর জন্য কর্মচারীদের ক্ষোভও ক্রমশ বাড়ছে। তাঁদের বক্তব্য, বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) কোনও দয়া নয়, এটি তাঁদের প্রাপ্য অধিকার। সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা হলে আইনি লড়াই আরও জোরদার হবে।

আরও পড়ুনঃ বাংলার ভোটে বড় লড়াই! ২৯২৬ প্রার্থী, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, এই বিষয়ে যারা আপত্তি জানাতে চান, তারা হলফনামা জমা দিতে পারবেন। এরপরই পরবর্তী শুনানিতে বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সব মিলিয়ে, ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে লড়াই এখন শুধু অর্থপ্রাপ্তির নয়, এটি ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা এবং সমতার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্মচারীদের একাংশের কথায়, “এটা শুধু টাকা নয়, সম্মানের লড়াই”।












