বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন গ্রান্ট-ইন-এইড সংস্থার কর্মী ও পেনশনভোগীরা। অনেকেই এখনও টাকা পাননি। এবার সেই জট কাটাতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। মূল সমস্যা ছিল ঠিকঠাক তথ্য না থাকা। তাই এবার সব দপ্তরকে দ্রুত তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।
ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ নবান্নে
সূত্রের খবর, নবান্নে সম্প্রতি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকেরা। সেখানে গ্রান্ট-ইন-এইড সংস্থাগুলির কর্মীদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের অগ্রগতি খতিয়ে দেখা হয়।
অর্থ দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের প্রাপ্য ডিএ (Dearness Allowance) মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সহায়তাপ্রাপ্ত সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ তথ্য এখনও হাতে না আসায় টাকা দেওয়ার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দ্রুত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট পোর্টালে আপলোড করতে হবে। কর্মীদের বেতন কাঠামো, চাকরির সময়কাল এবং কতটা ডিএ (Dearness Allowance) প্রাপ্য, এই সব তথ্য সঠিকভাবে জমা দেওয়ার ওপরই নির্ভর করছে বকেয়া হিসাব নির্ধারণ।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে এই বকেয়া (Dearness Allowance) নিয়ে অসন্তোষ ছিল কর্মীদের মধ্যে। তাই সরকারের এই পদক্ষেপে কিছুটা আশা তৈরি হয়েছে। তবে কবে থেকে টাকা হাতে পাবেন, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ পুরো বিষয়টাই নির্ভর করছে কত দ্রুত তথ্য জমা পড়ছে তার ওপর।

আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে নবান্নে বড় সিদ্ধান্ত! একযোগে শীর্ষ আমলাদের দায়িত্বে ব্যাপক রদবদল
অন্যদিকে, দপ্তরের কিছু আধিকারিক জানিয়েছেন, বিভিন্ন সংস্থার তথ্য একসঙ্গে জোগাড় করা সময়সাপেক্ষ কাজ। তবুও দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে। অর্থ দপ্তরও এই কাজের অগ্রগতি দেখছে বলে খবর সূত্রের (Dearness Allowance)।












