ডায়মন্ড হারবারের মাটি খুঁড়তেই চক্ষু চড়কগাছ! বেরিয়ে এল কোটি টাকার জিনিস

Published on:

Published on:

dig at Diamond Harbour reveals worth crores of rupees things
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour) মাটি খুঁড়ে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বুধবার হিংচেবেড়িয়া এলাকায় জেসিবি মেশিন দিয়ে খোঁড়াখুঁড়ি চালিয়ে একের পর এক ওষুধের প্যাকেট উদ্ধার করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা।

কী ঘটেছে ডায়মন্ড হারবারে (Diamond Harbour)?

বিজেপির দাবি, উদ্ধার হওয়া এই ওষুধগুলির সঙ্গে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুল আলোচিত ‘সেবাশ্রয়’ প্রকল্পের যোগ থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— এত বিপুল পরিমাণ ওষুধ সেখানে এল কীভাবে, কেনই বা সেগুলি মাটির নীচে পুঁতে রাখা হয়েছিল।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংসদীয় কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে দীর্ঘদিন ধরে ‘সেবাশ্রয়’ কর্মসূচির মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পরিষেবা দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। সেই প্রকল্পকে ঘিরে আগে যেমন প্রশংসা হয়েছে, তেমনই এবার ওষুধ উদ্ধারের ঘটনায় উঠে এল বিতর্ক। বিজেপির একাংশের দাবি, সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ ওষুধেরই একটি অংশ মাটির নীচে ফেলে রাখা হয়েছিল। যদিও এই অভিযোগের সপক্ষে এখনও পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।

স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে বিজেপি কর্মীরা প্রথমে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনেন। পরে নির্দিষ্ট জায়গায় খননকাজ শুরু হলে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয় বলে দাবি করা হয়। খবর পৌঁছতেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ এবং স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধিরা। এই ঘটনায় মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়কের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিষয়টি ড্রাগ কন্ট্রোল কর্তৃপক্ষের কাছেও জানানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওষুধগুলির উৎস ও ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ এবং জেলা স্বাস্থ্য দফতর।

dig at Diamond Harbour reveals  worth crores of rupees things

আরও পড়ুন :অতীত পিছনে ফেলে অর্পিতার জীবনের ‘নতুন অধ্যায়’! ৪ বছর পর বড় ঘোষণা

এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা উত্তম বাগ বলেন, “গোপন সূত্রে আমরা খবর পেয়েছি ওই জায়গায় কিছু ওষুধ আছে। এরপর পুলিশকে জানাই। প্রশাসন উপস্থিত হয়। তারপর যা দেখা গেল বড় ঘটনা। ভারতে এমন ঘটনা কেউ দেখতে পায়নি। দেখা গেল সেবাশ্রয়ের ব্যবহারের প্রচুর পরিমাণ ওষুধ। এখনও পর্যন্ত এই সব ওষুধের তারিখ এক দুবছর বাকি রয়েছে। সাধারণ মানুষের ওষুধটুকু ছাড়ল না তৃণমূল।” উদ্ধার হওয়া ওষুধগুলির মেয়াদ, উৎস এবং সেগুলি কোনও সরকারি বা বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা এখন তদন্তের মূল বিষয় হয়ে উঠেছে।