বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দেখুন পশ্চিম বাংলার মানুষ যখন পরিবর্তন শুরু করেছেন তারা পেছন দিকে তাকাবেন না। যে সরকার এসেছে তাদেরকে সেই সরকার বিজেপিকে (BJP) ব্যাপক সমর্থন উনারা দিয়েছেন যাতে হাত তুলে কাজ করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। আর উপনির্বাচনেও তাই হবে, সকালে দেওয়া সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকারে সাফ জানালেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
‘বিপুল ভোটে উপনির্বাচন জিতব’ দাবি দিলীপ ঘোষের
যার দিকে বিরোধী আসনে বসিয়েছিলেন তারা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তো, এই ধরনের বিরোধীদের তো নিশ্চয়ই জনতা ভোট দেবে না। যে সরকার আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করছে নেতা ফটাফট ঘোষণা করছেন, তার দিকেই ভোট দেবে এবং বিপুল ভোটে আমরা সব উপনির্বাচন জিতব।
দুটো তৃণমূল এখন প্রতীকটা কোনদিন থাকবে বলে মনে আপনাদের? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সেটা কোর্টের উপরে ছেড়ে দিন। আপনি কেন চাপ নিচ্ছেন? এরপর সল্টলেকের দক্ষিণ থানায় তোলাবাজির অভিযোগে প্রশান্ত দেবনাথ অ্যারেস্ট প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ‘যে তোলাবাজি করছে তার কাছ থেকে কি শুনতে হবে কে তোলাবাজি করছে সে তো আগে বন্ধ করুক। বাকি যদি অন্য কেউ করে সেটা পার্টি দেখবে’।
আরও পড়ুনঃ ৭০০০ লোকের ‘গেরুয়া সন্মান যাত্রা’, বন্ধ যাদবপুর বিশ্ব-বিদ্যালয়ের ৪টি গেট, কোন পথে ট্রাফিক?
পুলিশ হেফাজতে একজন কয়দির মৃত্যু হয় গতকাল বাকরাহাটে বিষ্ণুপুর থানায়। তারপর ভাংচুর মারধর পুরো পুলিশি কয়দিন দুদিন আগে আমরা দেখেছিলাম একজনের বন্দির মৃত্যু হয়েছিল আবার আবার একজন মৃত্যু এত ঘটনা কেন ঘটছে? এই প্রশ্নের জবাবে দিলীপবাবু জানান, পুলিশ আগে অন্য কিছু করতো না এই পিটিয়ে মারতো। এখন পুলিশের কাজের বিস্তার হয়েছে তারা আইন শৃঙ্খলা নিয়ে কাজ করছে। কিন্তু পুলিশের কোন অধিকার নেই সে কয়েদি হোক বা দোষী নির্দোষ যাই হোক তাকে মেরে ফেলার এটা একটা ক্রাইম। তার বিরুদ্ধে অবশ্যই তদন্ত হওয়া উচিত এবং ব্যবস্থা হওয়া উচিত।
এরপর জলপাইগুড়িতে সিপিএমের জেলা কার্যালয় কালকে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ABVP এর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, ‘কে ভাঙছে সে টিএমসির অফিস ভাঙছে তার লোকেরা। একাউন্ট চলে যাচ্ছে অফিস চলে তার জন্য বিজেপি দেয় নাকি এরকম বিভিন্ন জায়গায় ঘটনা ঘটছে। একটুখানি অব্যবস্থা চলছে এখনো পুলিশকে নজর রাখতে হবে যেন না করতে পারে। যেই করুক আইন শৃঙ্খলা হাতে নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এদিন দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস খাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘দেখুন আমি এমনিতে মাছ ছাড়া কিছু খাই না। কিন্তু আমি কি খাব এটা বড় কথা নয়! যারা খেতে চায় তারা খাবে এ নিয়ে কোন বিতর্ক নাই। ব্যক্তিগত রুচি পশ্চিম বাংলায় দুর্গাপূজাতে পাঠার বলি আর পাঠার মাংস এখানে প্রসাদ হিসেবে খাওয়া হয়। সমস্ত দেবতার কাছে কালীর কাছে অন্যান্য স্থানীয় দেবতা যেখানে নাম করা সব জায়গায় বলি হয়। তো সেজন্য এখানে পাঠা খাওয়া মাংস খাওয়া এটা কোনদিন বিতর্কের বিষয় নয়।
একইসাথে তিনি আরও বলেন, ‘টিএমসি শুরু করেছিল এটা এই খাওয়া চলবে না ওই খাওয়া চলবে না। কোন কোন সাধুসন্তরা বলেন নিরামিশ খাওয়া ভালো। কিন্তু এটা নিয়ে কোন কম্পালসারি নেই। যতজন বাগেশ্বর বাবার কাছে যায়, উনি কি বলতে পারবেন যে এরা মাংস খায় না? মাছ খায় না তা নয়। সাধুরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বলেন নিরামিষ খাওয়াটা শরীর প্রক্ষে ভালো। আমরা সবাই জানি কিন্তু পশ্চিমবাংলায় সংস্কৃতি আছে আমরা মা কালীর ভক্ত বিবেকানন্দ বলছেন যতদিন দেশ থাকবে মা কালী পাঠা খাবেন শিব ডমরু বাজাবেন। এতো চলতেই থাকে এটা বাংলার কালচার’। আর কি বললেন তিনি? দেখে নিন সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকার ভিডিওতে…













