বুথে ঢোকার আগে ডাবল চেক! ভোট দেওয়ার আগে জেনে রাখুন নির্বাচন কমিশনের নয়া নির্দেশ

Published on:

Published on:

Double check before entering the booth! Election Commission of India's new instructions
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : আসন্ন নির্বাচনে (Assembly Election) স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন একাধিক নতুন ও কঠোর নিয়ম চালু করেছে। বিশেষ করে ভোটের দিন যাতে ভুয়ো ভোটাররা ঢুকতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, এবার ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের আগে দুটি আলাদা ধাপে পরিচয়পত্র যাচাই করা হবে প্রত্যেক ভোটারের।

কমিশনের (Election Commission of India) নির্দেশে দুধাপে পরিচয়পত্র যাচাই

প্রথম স্তরে পরিচয় পত্র যাচাইয়ের দায়িত্বে থাকবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। তারপরের ধাপে বিএলও-রা পরিচয় পত্র খতিয়ে দেখবে‌।
কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, ভোট দিতে এলে নির্ধারিত পরিচয়পত্রগুলির মধ্যে অন্তত একটি আসল নথি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেই নথি খতিয়ে দেখবেন। সঠিক নথি দেখাতে পারলেই প্রথম স্তরের যাচাই সম্পন্ন বলে গণ্য হবে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে বিএলও-রা ভোটারের তথ্য মিলিয়ে দেখবেন, ব্যক্তি তালিকাভুক্ত ভোটার কি না। এই দ্বিতীয় ধাপ সফলভাবে পেরোতে পারলেই ভোটারকে বুথের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি ঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা তদারকির দায়িত্ব থাকবে সেক্টর অফিসারদের উপর।

রাজ্যে প্রথম দফার ভোট নির্ধারিত রয়েছে আগামী ২৩ শে এপ্রিল। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার প্রচার বন্ধ বা ‘সাইলেন্স পিরিয়ড’ শুরু হবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় দফার ক্ষেত্রে এই সময়সীমা কার্যকর হবে ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইতিমধ্যে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে জানানো হয়েছে, ভোটের আগের ৪৮ ঘণ্টায় বেআইনি জমায়েত রুখতে ১৬৩ ধারা প্রয়োগ করতে হবে।

Double check before entering the booth! Election Commission of India's new instructions

আরও পড়ুন :মোদীর সভার জেরে ভেস্তে গেল হেমন্ত সোরেনের ঝাড়গ্রাম সফর, বিজেপির ‘দোষ’ বলল তৃণমূল

এছাড়াও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও ধরনের প্রচার কার্যকলাপ চলবে না। এই সীমানা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারেন। এছাড়াও বহু নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এবারের নির্বাচনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কমিশন কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না। নজরদারির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।