বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আবহে ফের বিতর্কে নির্বাচন কমিশনের ‘ট্রাবল মেকার’ তালিকা। আগে হাইকোর্ট (Calcutta High Court) এই তালিকা খারিজ করে দিয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, তারপরও ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এই নিয়েই ফের আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন, আদালতের নির্দেশের পরও কীভাবে এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে? মামলার অনুমতি দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। দ্রুত শুনানির আবেদনও করা হয়েছে।
হাই কোর্টে ট্রাবল মেকার তালিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক (Calcutta High Court)
নির্বাচনের সময় গোলমাল হতে পারে, এমন সন্দেহে কিছু মানুষকে ‘ট্রাবল মেকার’ বলে তালিকাভুক্ত করেছিল নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, তালিকায় থাকা অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্য। এই নিয়েই আগেই হাই কোর্টে (Calcutta High Court) মামলা হয়েছিল। তখন রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়, এই তালিকার ভিত্তিতে শাসকদলের প্রায় ৮০০ জনকে গ্রেফতার করা হতে পারে। মামলাটি শুনেছিল প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চ।
সেই সময় কমিশনের তরফে আদালতে (Calcutta High Court) বলা হয়েছিল, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট করানো তাদের দায়িত্ব। সেই কারণেই আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কমিশনের দাবি ছিল, ভোটের সময় আগে থেকেও প্রিভেন্টিভ ডিটেনশন হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের আইনজীবীরা বলেন, কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করতে গেলে নির্দিষ্ট আইনি ভিত্তি থাকা দরকার। শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।
এরপর আদালত (Calcutta High Court) জানায়, সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদে কমিশনের ক্ষমতা থাকলেও তা সীমাহীন নয়। শুধু ‘ট্রাবল মেকার’ বলে চিহ্নিত করে একসঙ্গে পদক্ষেপ করা ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করে আদালত। পরে সেই তালিকা খারিজ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ বাস নেই, ক্যাব নেই! ভোটের বাজারে কলকাতাজুড়ে চরম পরিবহণ সঙ্কট
কিন্তু অভিযোগ, তালিকা বাতিল হওয়ার পরও ৩৫০ জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আর সেই কারণেই ফের হাই কোর্টে (Calcutta High Court) উঠল এই মামলা। এখন কমিশন কী জবাব দেয়, সেদিকেই নজর সবার।












