বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের প্রস্তুতি ঘিরে কলকাতায় নির্বাচন (Election Commission) কমিশনের ফুল বেঞ্চের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা শহরে এসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সেই বৈঠকেই বিজেপির পক্ষ থেকে একগুচ্ছ দাবি তোলা হয়েছে।
কমিশনের (Election Commission) বৈঠকে প্রবেশ করতে দেখা যায় রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে
সোমবার কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ফুল বেঞ্চের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার রাতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে মোট ১২ জন আধিকারিক শহরে পৌঁছন। সোমবার সকাল ১০টায় বৈঠক শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কিছুটা দেরিতে শুরু হয় আলোচনা। শেষ পর্যন্ত প্রায় সকাল এগারোটার সময় বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকস্থলে প্রবেশ করতে দেখা যায় রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে।
১৬ দফা দাবি বিজেপির
এই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সিপিএমের তরফে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। পাশাপাশি বিজেপির প্রতিনিধিরাও কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। বিজেপির তরফে এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ সরকার, শিশির বাজোরিয়া এবং তাপস রায়। প্রায় ৩০ মিনিটের বৈঠকে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে মোট ১৬ দফা দাবি পেশ করেন তাঁরা।
বৈঠকের পরে বিজেপি নেতা জগন্নাথ সরকার জানান, গণতন্ত্রের উপর মানুষের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি। সেই কারণেই কমিশনের (Election Commission) কাছে একাধিক দাবি জানানো হয়েছে। বিজেপির দাবি, ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি বাংলায় ভোটগ্রহণ যেন ভয়মুক্ত পরিবেশে হয়, সেই ব্যবস্থাও করতে হবে।

আরও পড়ুনঃ পুলিশ নন তবুও ট্রান্সফার! ভবানী ভবনের নির্দেশে তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের বদলি ঘিরে বিতর্ক
জগন্নাথ সরকারের অভিযোগ, ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হলে বাংলার পুলিশ ও সরকারি তন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজন হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়াও ভোটের সময়সূচি নিয়েও কমিশনের (Election Commission) সামনে দাবি জানিয়েছে বিজেপি। তাঁদের বক্তব্য, সাত বা আট দফায় নয়, বরং এক বা দুই দফার মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ করা উচিত।












