এবারও ভোটের কাজে নিষিদ্ধ সিভিক, সংবেদনশীল জেলাগুলিতে ১৪৪ ধারার আবেদন কমিশনে

Updated on:

Updated on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : এবারের বিধানসভা নির্বাচনকে অশান্তিমুক্ত, অবাধ করতছ বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ভোটের অনেক আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে গিয়েছে রাজ্যে। আর এবার নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিল, এবারেও ভোটের কাজে মোতায়েন থাকবে না সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ। কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটের কাজে কোনও সিভিক পুলিশ, গ্রিন পুলিশকে মোতায়েন করা যাবে না।

নির্বাচন নিয়ে নিরাপত্তার কড়াকড়ি কমিশনের (Election Commission)

বুধবার রাজ্যের পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। এই বৈঠকে পুনর্নির্বাচন নিয়েও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বুথে বুথে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

Election commission gave strict instructions about security in assembly election

পুনর্নির্বাচন নিয়ে বার্তা কমিশনের: সূত্রের খবর, বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন, বুথের ভেতরে এবং বাইরে প্রায় ৩ হাজার ক্যামেরায় নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি রাস্তাতেও চলবে নাকা চেকিং। কোনও বুথের ক্যামেরা কোনও কারণে বন্ধ থাকলে অবিলম্বে সেই বুথে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ক্যামেরায় যদি কোনও সমস্যা থাকে সেই বুথে পুর্ননির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়ে সকলকে সতর্ক করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

আরও পড়ুন : হলফনামায় বাড়ি-গাড়ি-সোনাদানার হিসেব দিলেন দেবাংশু, কত সম্পত্তির মালিক চুঁচুড়ার তৃণমূল প্রার্থী?

সংবেদনশীল জেলাতেও ১৪৪ ধারা: ভোটের সময় সাধারণত বুথের ২০০ মিটার পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৈঠকে বেশ কয়েকজন সাধারণ পর্যবেক্ষক দাবি করেছেন, ভোটকেন্দ্রের পাশাপাশি সংবেদনশীল জেলাগুলি অর্থাৎ যেখানে অশান্তির সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে সেই সমস্ত জেলা গুলিতেও জারি হোক নিষেধাজ্ঞা। এ বিষয়ে কমিশনে আবেদনও জানিয়েছে পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

আরও পড়ুন :  শুধু লাল নয়, আরও বিভিন্ন রঙের হয় গ্যাস সিলিন্ডার, কোনটার কী ব্যবহার জানেন?

২০২১ এর বিধানসভা এবং ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের পর এবারও নির্বাচনের কাজে সিভিক ভলান্টিয়ার এবং গ্রিন পুলিশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সঙ্গে আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটের ৩ দিন আগে ও পরের দিন ইউনিফর্ম পরে ডিউটি করতে পারবেন না সিভিক ভলান্টিয়াররা।