বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আগে যাতে কোনওভাবে গন্ডগোল না হয় বা ভোটারদের ভয় দেখানো না হয়, সেই জন্য এবার কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে এমন কিছু মানুষের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যাঁদের বিরুদ্ধে ভোটে প্রভাব খাটানোর আশঙ্কা রয়েছে। এই তালিকায় তৃণমূলের কয়েকজন পরিচিত নেতা ও প্রার্থীর নামও আছে। প্রয়োজনে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা আটক করার কথাও বলা হয়েছে।
ভোটে অশান্তি ঠেকাতে কমিশনের (Election Commission) নজরে একাধিক নেতা
নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, প্রতিটি জেলার বিধানসভা কেন্দ্র ধরে এমন একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে সেইসব ব্যক্তিদের নাম রাখা হয়েছে যাঁরা ভোটারদের ভয় দেখাতে বা ভোটে বাধা দিতে পারেন বলে সন্দেহ। এই তালিকা ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে দেওয়া হয়েছে।
কমিশনের (Election Commission) তরফে পুলিশ আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই তালিকায় যাঁদের নাম আছে, তাঁদের উপর কড়া নজর রাখতে হবে। প্রয়োজন হলে আগে থেকেই ব্যবস্থা নিতে হবে, এমনকি পরিস্থিতি খারাপ হলে আটকও করা যেতে পারে। এই তালিকায় যাঁদের নাম উঠে এসেছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হাঁসনের প্রার্থী কাজল শেখ, রঘুনাথপুরের অনুপ মাঝি ওরফে লালা, বেলেঘাটার তৃণমূল নেতা পরেশ পাল ও কাউন্সিলর সচিন সিং। এছাড়া এন্টালির আমিরুদ্দিন ববি, চৌরঙ্গীর সানা আহমেদ, নন্দীগ্রামের শেখ সুফিয়ান, মানিকতলার অনিন্দ কিশোর রাউতও আছেন এই তালিকায়।
এছাড়াও রাসবিহারীর বিশ্বজিৎ পোদ্দার ও কুমার সাহা, ভবানীপুরের নিজামুদ্দিন শামস, কলকাতা বন্দরের শামস ইকবাল, কসবায় সুশান্ত ঘোষ, বোলপুরের বাবলু দাস, ফলতার জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবারের শামিম আহমেদের নামও রয়েছে। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে খতিয়ে দেখে প্রয়োজন হলে FIR করা হতে পারে বা আইনি নোটিস দেওয়া হতে পারে। ভোটের দিন বুথ এলাকায় তাঁদের চলাফেরার উপরও নজর রাখা হবে।

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগেই ‘ড্রাই ডে’! কমিশন বলছে নির্দেশই দেয়নি, তাহলে বন্ধ করল কে?
জেলা পুলিশ সুপার থেকে থানার ওসি, সব স্তরের পুলিশকে বলা হয়েছে, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখানো বা গন্ডগোলের সুযোগ না দেওয়া হয়। কোথাও সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে কমিশন (Election Commission)।












