ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে নিয়োগ! বাংলার SIR নিয়ে এবার কড়া নির্বাচন কমিশন

Published on:

Published on:

Election Commission Suspends BDO Over Illegal AERO Appointments in West Bengal
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেই নিয়েই বড় পদক্ষেপ নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ‘বেআইনি নিয়োগ’-এর অভিযোগে এক বিডিওকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন, যা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।

কী সিদ্ধান্ত কমিশনের (Election Commission)?

নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশে বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীন বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও তথা AERO সুমিত প্রতিম প্রধানকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে ভোটার তালিকা পরিমার্জন সংক্রান্ত সমস্ত কাজ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের আগে রবিবারই রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী ভট্টাচার্যকে একটি চিঠি পাঠায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সেই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, বিডিও সুমিত প্রতিম প্রধান বেআইনিভাবে ১১ জন ‘অতিরিক্ত এইআরও’ নিয়োগ করেছিলেন। কমিশনের স্পষ্ট বক্তব্য, এই ধরনের নিয়োগ করার কোনও ক্ষমতাই ওই বিডিওর ছিল না।

নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আরও অভিযোগ, ক্ষমতার বাইরে গিয়ে অভিযুক্ত বিডিও স্বতঃপ্রণোদিত নোটিস জারি করে শুনানি পর্বও পরিচালনা করছিলেন। কমিশনের মতে, এই পুরো প্রক্রিয়ায় জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০-এর ১৩সি ধারার সম্পূর্ণ লঙ্ঘন হয়েছে। এই কারণেই বিডিও দ্বারা নিযুক্ত ওই ১১ জন ‘অতিরিক্ত এইআরও’-র এতদিনের সমস্ত কর্মকাণ্ড ও নেওয়া সিদ্ধান্ত বাতিল ঘোষণা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি, গোটা বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

Election Commission orders case filed for negligence of BLOs

আরও পড়ুনঃ ১,০০০ টাকা থেকে একলাফে ৭,৫০০? পেনশনে আসতে চলেছে বড় বদল… মিলল ইঙ্গিত

শুধু তাই নয়, কমিশন (Election Commission) সিইও দপ্তর এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছেও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “সুষ্ঠুভাবে এসআইআর করার জন্য এই প্রথম কোনও সদর্থক পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। সব কিছু ঠিকঠাক করতে গেলে কঠোর হওয়া প্রয়োজন। এটা সেই কঠোরতার প্রথম ধাপ। এখন দেখার বিষয়, রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ করে।”