বাংলা হান্ট ডেস্ক: সামনেই আসছে বিধানসভা নির্বাচন। আসন্ন এই নির্বাচনে পোলিং কর্মীদের জন্য ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার থেকে শুরু করে রিসিভিং সেন্টার পর্যন্ত সমস্ত কাজের একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Election Duty)। এই ভোট পরিচালনা করার জন্য প্রিসাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারদের প্রতি ধাপে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ভোট কর্মীদের ডিউটি ভাতা ও দৈনিক টিফিন খরচ উল্লেখযোগ্য পাবে বৃদ্ধি করেছেন। আজকের প্রতিবেদনে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য রইল।
আসন্ন নির্বাচনে ভোটকর্মীদের কাজের তালিকা ও ভাতা আপডেট জানুন (Election Duty)
জানা যায় ভোটের আগের দিন ডিসি থেকে ইভিএম ও অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহ করে বুথে পৌঁছতে হবে। পাশাপাশি রাতের মধ্যে প্রাথমিক কাজগুলোকে সেরে রাখতে হবে। ভোটের দিন সকালবেলায় এজেন্টদের উপস্থিতিতে মকপোল করে অবশ্যই সিআরসি সম্পূর্ণ করতে হবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট নিয়মে মেশিন ফিল করতে হবে। এছাড়াও সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, প্রিসাইডিং অফিসারদের ভাতা বেড়ে ২০০০ টাকা ও পোলিং অফিসারদের ভাতা ১৬০০ টাকা করা হয়েছে (Election Duty)।

আরও পড়ুন: যুবসাথী নিয়ে বড় টুইস্ট, টাকা না পেলে কী পথ? মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মন্তব্যে বাড়ছে জল্পনা
পাশাপাশি ডিসট্রিবিউশন সেন্টারে পৌঁছে প্রথমে ডিকোডিং লিস্ট দেখে পার্টি নম্বর ও বুথ খুঁজে নিতে হবে। চারজন কর্মী একসঙ্গে নিজেদের কাউন্টারে গিয়ে হাজিরা দেবেন। এছাড়া প্রিসাইডিং অফিসার মালপত্র নেওয়ার সময় কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট ভিভিপ্যাট এর সিরিয়াল নম্বর মিলিয়ে নেবেন। পাশাপাশি ডিসিতে কোনভাবেই মেশিনের কেবল সংযোগ করা যাবে না।
তাছাড়া বুথে পৌঁছে দিনের আলো থাকতে থাকতে পেস্টিং পেপার লাগিয়ে দেওয়া উচিত। রাতের বেলায় মার্কড কপি, ফর্ম ১৭ ও অন্যান্য সিল আলাদা করে গুছিয়ে রাখলে। পরের দিনের কাজ করতে সুবিধা হবে সকলের। পাশাপাশি ভোটের দিন সকালে এজেন্টদের উপস্থিতি মকপোল একান্তই বাধ্যতামূলক। অন্তত ৫০ টি ভোট দিয়ে ভিভিপ্যাট স্লিপ চেক করতে হবে।
এরপর মকপোল শেষ শেষ অবশ্যই ক্লোজ, রেজাল্ট এবং ক্লিয়ার বাটন প্রেস করতে হবে। এপর গ্রিন পেপার সিল এবং স্পেশাল অ্যাড্রেস ট্যাগ দিয়ে কন্ট্রোল ইউনিট সিল করা হয়। ভোট চলাকালীন প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর এসএমএস পাঠাতে হবে ও ফর্ম ১৭ এ সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। পাশাপাশি বিকেল ছটায় ভোট শেষ হলে, ক্লোজ বাটন প্রেস করতে হবে। এরপর ভিভিপ্যাট থেকে ব্যাটারি বের করে নিতে হবে।
সবশেষে ভোট শেষ হওয়ার পর সমস্ত মেশিন ক্যারিং কেসে ভরে এড্রেস ট্যাগ দিয়ে সিল করতে হবে। এরপর রিসিভিং সেন্টারে গিয়ে ইভিএম, ভিভিপ্যাট ও সমস্ত সংবিধেবদ্ধ ও অসংবিধিবদ্ধ করার জমা দিতে হবে। এই সমস্ত কিছুর ঠিকঠাক জমা দেওয়ার পর লাস্ট অ্যাপার্টমেন্ট লেটারের রিলিজ লিখতে হবে।
এছাড়াও সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনে কমিশন পুলিং কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। যেখানে প্রিসাইডিং অফিসারদের দৈনিক ভাতা ৩৫০ টাকা থাকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড পোলিং অফিসারদের ভাতা ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ এককালীন এরা ১৬০০ টাকা করে পাবেন (Election Duty)।












