বাংলাহান্ট ডেস্ক : আগুন নিভে গেলেও আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের (Anandapur Fire) দগদগে ঘা আজও বর্তমান শহরবাসীর মনে। প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে নাজিরাবাদের জোড়া গুদামে লাগা আগুনে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে বহু কর্মচারীর। নিখোঁজ অনেকে। গ্রেফতার হয়েছে ডেকরেটর্সের গুদামের মালিক। পাশের মোমো কারখানার কর্তৃপক্ষ দিয়েছে বিবৃতি। এর মাঝে পড়ে কার্যত নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হয়েছে গোডাউনের কর্মীদের। সহকর্মীদের হারানোর যন্ত্রণার থেকেও এখন তীব্র হয়ে উঠেছে পেটের জ্বালা। আবারও কাজ শুরু হোক গোডাউনে, এমনটাই চাইছেন কর্মীরা।
আনন্দপুরে (Anandapur Fire) গোডাউন চালুর দাবি কর্মীদের
নাজিরাবাদে যে দুটি গোডাউন ছিল, তার মধ্যে একটি মোমো সংস্থা ভাড়া নিলেও দুটিরই মালিক ছিলেন গঙ্গাধর দাস। তাঁকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে যে কর্মীরা বেঁচে গিয়েছেন তাঁদের কার্যত শোচনীয় পরিস্থিতি।

মালিকের পাশে কর্মীরা: কানে এখনও ভাসছে সহকর্মীদের শেষ মুহূর্তের আর্ত চিৎকার! এদিকে পেট যে কোনও কথা শুনতেই রাজি নয়। তাই এই কর্মীদের দাবি, আবারও কাজ চালু হোক।আবারও কাজে ফিরতে চাইছেন তাঁরা। এর জন্য ধৃত মালিকের পাশেই দাঁড়িয়েছেন কর্মীরা।
আরও পড়ুন : শুধু নিরামিষ নয়, বন্দে ভারত স্লিপারের মেনুতে জুড়ছে আমিষ, বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রকের
কী চাইছেন কর্মীরা: ধৃত মালিক গঙ্গাধর দাসের হেঁড়িয়ার বাড়িতেও গিয়েছিলেন কর্মীরা। মালিকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ নয়। শ্রমিকদের বক্তব্য, তাঁদের সুবিধা অসুবিধা দেখেছেন মালিক। ঠিক সময়ে বেতন দিয়েছেন। এখন এই পরিস্থিতিতে তাঁর পাশে থাকাটাই কর্তব্য। আবারও গোডাউন চালু করার আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন : কাকপক্ষীতেও টের পায়নি, সোমবারই উদয়পুরে রাজকীয় বিয়ে বিজয়-রশ্মিকার
উল্লেখ্য, ঘটনায় তদন্তে নেমে গ্রেফতার করা হয়েছে পাশের ডেকরেটর্স (Anandapur Fire) গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই গুদাম থেকেই সর্বপ্রথম ছড়ায় আগুন। পরে মোমো সংস্থার তরফেও আসে বিবৃতি।
















