পুজোর আগেই বাংলার শিল্প নিয়ে বড় ঘোষণা! ৬০০০ কোটি টাকার প্রকল্পে কর্মসংস্থানের আশা

Published on:

Published on:

Employment opportunities expected in West Bengal from 6,000 crore project
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক : নতুন করে শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। ইতিমধ্যেই, রাজ্যের একাধিক জায়গায় জমি হস্তান্তর-এর অনুমোদন মিলেছে। হলদিয়ায় কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প চালু হলে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে বলেই আশা।শিল্পস্থাপনকে কেন্দ্র করে নতুন কাজের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) শিল্পায়ন নিয়ে কী পরিকল্পনা ?

হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি নতুন ইউনিটটি ১৪ অক্টোবর, মহাষষ্ঠীর দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যবাসীর জন্য উৎসর্গ করা হবে। প্রকল্পটি চালু হওয়ার পর তার সঙ্গে সম্পর্কিত অনুসারী শিল্পগুলিতে নতুন করে পুঁজি আসার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে । পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সহায়ক উৎপাদন সংস্থার জন্য এই ধরনের প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ। মূল ইউনিটের উৎপাদন বাড়লে তার প্রয়োজন মেটাতে নতুন ডাউনস্ট্রিম শিল্প গড়ে উঠতে পারে। ফলে হলদিয়া শিল্পাঞ্চলের পরিসর আরও বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

অন্যদিকে, নতুন শিল্প সংস্থাগুলিকে জায়গা করে দেওয়ার ক্ষেত্রেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। বজবজ শিল্পতালুক-সহ মোট ৩২টি সংস্থার হাতে জমি তুলে দেওয়ার প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৩ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিসভার বৈঠকের দ্বিতীয় পর্বে এই জমি আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে হস্তান্তর করা হবে। শিল্প তৈরির জন্য জমি পাওয়া গেলে পরবর্তী ধাপে প্রকল্পের পরিকাঠামো গড়ার কাজ শুরু করতে পারবে সংস্থাগুলি।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বজবজ ছাড়াও রাজ্যের অন্য এলাকাতেও এই প্রক্রিয়ার প্রভাব পড়তে পারে। রাজ্যের এই উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ দিক হল কর্মসংস্থান। শিল্প প্রকল্পে সরাসরি নিয়োগের পাশাপাশি পরিবহণ, সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ ও অন্যান্য সহায়ক পরিষেবায় পরোক্ষ কাজের ক্ষেত্রও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে হলদিয়ার নতুন ইউনিটকে ঘিরে অনুসারী শিল্পের বিস্তার ঘটলে কর্মসংস্থানের পরিধি আরও বাড়তে পারে।

Employment opportunities expected in West Bengal from 6,000 crore project

আরও পড়ুন :‘দিল্লির তুলনায় আমরা কিছুই নয়’, ভারতের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তির প্রসঙ্গে কী জানাল পাকিস্তান?

এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন হলে, রাজ্যের শিল্প পরিকাঠামোয় তার প্রভাব পড়বে। বিনিয়োগের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন নজর থাকবে নির্ধারিত সময়ে জমি হস্তান্তর এবং হলদিয়ার নতুন ইউনিট চালুর পর, প্রকল্পগুলির বাস্তব প্রভাব কতটা দেখা যায়, তার দিকে।