বাংলা হান্ট ডেস্কঃ জয় কামদারকে ঘিরে বড়সড় টাকার গরমিলের অভিযোগ সামনে এসেছে। ইডির (Enforcement Directorate) দাবি, কয়েক মাসের মধ্যেই শত শত কোটি টাকা ব্যাঙ্কে জমা হয়েছে এবং লেনদেন হয়েছে হাজার কোটিরও বেশি। এই মামলায় ধরা পড়া জয় কামদারের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর যোগও মিলেছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারীরা।
১১০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ (Enforcement Directorate)
রবিবার বেহালার বাসিন্দা ব্যবসায়ী জয় কামদারকে গ্রেপ্তার করে ইডি (Enforcement Directorate)। সোমবার তাঁকে আদালতে তোলার আগে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। ইডি জানান, জয়ের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে দেখা গেছে, মাত্র চার মাসের মধ্যেই প্রায় ৫০০ কোটি টাকা জমা হয়েছে। শুধু তাই নয়, মোট লেনদেনের অঙ্ক ১১০০ কোটির কাছাকাছি।
তদন্তে আরও জানা যায়, জয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিল একাধিক ভুয়ো সংস্থা। অন্তত ২৫টি এমন কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে ইডি (Enforcement Directorate), যেগুলোর মাধ্যমে এই বিপুল টাকার লেনদেন চলত। এমনকি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট থেকেও প্রায় ৪০ কোটি টাকা জয়ের সংস্থায় গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় সোনা পাপ্পুর নামও উঠে এসেছে। ইডির (Enforcement Directorate) তথ্য অনুযায়ী, জয়ের সংস্থা থেকে সোনা পাপ্পু তাঁর স্ত্রীর নামে একটি বন্দুক ও গুলি কিনেছিলেন। এছাড়া জয়ের সঙ্গে সোনা পাপ্পুদের প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেনের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ‘এসপি কনস্ট্রাকশন’ নামে একটি সংস্থা রয়েছে, যার মালিকানা সোনা পাপ্পুর নামে। অন্যদিকে, ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামের একটি সংস্থার সঙ্গে জয়ের যোগ রয়েছে। এই সব সংস্থার ব্যাঙ্ক লেনদেন খতিয়ে দেখেই এই যোগসূত্র সামনে এসেছে। এছাড়া সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে থাকা একটি সংস্থার সঙ্গেও আর্থিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই।

আরও পড়ুনঃ ‘বিজেপি-র যিনি প্রার্থী হয়েছেন, হাতজোড় করে..,’ অভয়ার মাকে বিশেষ বার্তা অভিষেকের
এই সমস্ত তথ্য সামনে আসার পর ইডি (Enforcement Directorate) আদালতে জয়ের হেফাজত চেয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, এই ঘটনায় আরও কিছু লোক জড়িত থাকতে পারে এবং সেই দিকেই এখন তদন্ত এগোচ্ছে।












