বালিগঞ্জে ED-র বড় অভিযান! ‘সান এন্টারপ্রাইজেস’ থেকে কোটি টাকার বেশি নগদ উদ্ধার

Updated on:

Updated on:

Enforcement Directorate raids in Kolkata over 1 crore cash seized
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের মুখে ফের তল্লাশি অভিযান শুরু ইডির (Enforcement Directorate)। রাজ্যের একাধিক জায়গায় একসঙ্গে হানা দিয়ে বড়সড় আর্থিক লেনদেনের সূত্র খুঁজছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দক্ষিণ কলকাতার একটি অফিস থেকে কোটি টাকারও বেশি নগদ ও অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর এই অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পুরনো আর্থিক জালিয়াতি ও অপরাধের অভিযোগের সূত্র ধরেই এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

১ কোটির বেশি নগদ উদ্ধার করল ইডি (Enforcement Directorate)

দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের অশ্বিনী দত্ত রোডে অবস্থিত ‘সান এন্টারপ্রাইজেস’-এর অফিসে হানা দিয়ে ইডি (Enforcement Directorate) ১ কোটিরও বেশি নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই ঘটনার জেরে সামনে এসেছে ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দারের নাম, যিনি ‘সোনা পাপ্পু’ নামে পরিচিত। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। সেখান থেকে ইডি বন্ধুক উদ্ধার করে।কসবা ও বালিগঞ্জ এলাকায় তাঁর প্রভাব রয়েছে বলে জানা যায়। বিভিন্ন অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আগেই একাধিক FIR দায়ের হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে গোলপার্কে গ্যাংওয়ারের ঘটনাতেও সোনা পাপ্পুর নাম জড়ায়। সেই ঘটনায় তিনি অন্যতম অভিযুক্ত হলেও এখনও পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়েননি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়েক কোটি টাকার আর্থিক জালিয়াতির মামলার সূত্র ধরেই ‘সান এন্টারপ্রাইজেস’-এর সঙ্গে সোনা পাপ্পুর আর্থিক লেনদেনের যোগ সামনে আসে। সেই কারণেই ওই অফিসে তল্লাশি চালানো হয়।

এদিকে, এই ঘটনার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও রাসবিহারীর বিধায়ক দেবাশিস কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে ইডি (Enforcement Directorate)। জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জালিয়াতি এবং বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার অভিযোগে তদন্তের অংশ হিসেবেই তাঁকে তলব করা হয়।

Enforcement Directorate Raid in Kolkata Before Elections

আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে বড়সড় পরিবর্তন! মকপোল থেকে ভোটের সময়, নতুন নিয়ম জারি নির্বাচন কমিশনের

উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার ৬৭ ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে শাসকদলের হয়ে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণমূলক কাজকর্মে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় বলে পরিচিত সোনা পাপ্পু। মাসখানেক আগে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ জমা পড়ে, আর সেই প্রতিটি অভিযোগেই তাঁর নাম উঠে আসে বলে জানা যায়। এর আগেও ২০২২ সালে কলকাতা পুলিশ তাঁকে কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে কিছুদিন জেলবন্দি থাকার পর তিনি আবার ছাড়া পান এবং এরপর থেকেই এলাকায় তাঁর প্রভাব ও দাপট ফের বাড়তে শুরু করে বলে অভিযোগ।