রোহিত শর্মার পাশে পুরোপুরি দাঁড়াচ্ছেন না শুভমান গিল! বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন ভারতীয় তারকার

Published on:

Published on:

Follow

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ আগামী বছর মূলত দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে আয়োজিত হবে ওডিআই বিশ্বকাপ (2027 ODI World Cup)। শুভমান গিলের (Shubman Gill) নেতৃত্বে সেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় দল (Indian Cricket Team)। চলতি বছরে ইতিমধ্যেই তিনটি ওডিআই সিরিজ খেলে ফেলেছে ভারত। যার মধ্যে দুটি সিরিজে হারের মুখ দেখতে হয়েছে ভারতীয় দলকে। এরপরই অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দিয়েছেন যে বয়স্ক তারকা রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) আর ভারতীয় দলে জায়গা হওয়া উচিত কিনা সেই নিয়ে।

চলতি বছরের শুরুর দিকে ভারতীয় দলের জার্সিতে একেবারেই ছন্দ ছিলেন না রোহিত। ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ড এবং আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজে তিনি ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগছিলেন। তারপর ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়েছিল যে ইংল্যান্ডের মাটিতে আয়োজিত হতে চলা তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ রোহিত শর্মার আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শেষ অধ্যায় হতে চলেছে।

প্রথম দুই ম্যাচেও রোহিত শর্মা ব্যর্থ হয়েছিলেন। কিন্তু লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে তিনি দুর্দান্ত শতরান করে নিন্দুকদের মুখের ওপর জবাব দেন। হিটম্যান প্রমাণ করে দিয়েছেন যে তিনি এখনো ফুরিয়ে যাননি। মুখে না বললেও তার কেরিয়ারের একমাত্র অধরা খেতাব ওডিআই বিশ্বকাপ জিতেই তিনি ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে চান।

আরও পড়ুন: এবার পাকিস্তান থেকে উড়ে এলো উপদেশ! কোহলি ও রোহিত প্রসঙ্গে কি করবেন গম্ভীর?

কিন্তু লর্ডসের অভাবনীয় ইনিংসের পরেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বা ভারতের বর্তমান ওডিআই অধিনায়ক শুভমন গিলের কাছ থেকে এমন কোন বিবৃতি আসেনি যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আগামী বছর ওডিআই বিশ্বকাপের ভারতীয় দলে রোহিত শর্মার জায়গা পাকা। এবার এই নিয়ে বর্তমান ভারত অধিনায়কের সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন ভারতীয় তারকা ব্যাটার মহম্মদ কাইফ। কাইফ নিজের মনে প্রানে বিশ্বাস করেন যে রোহিতের আগামী ওডিআই বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাওয়া উচিত অতি অবশ্যই। কিন্তু শুভমান তেমন কোনও বক্তব্য না রাখায় তিনি অসস্তুস্ট হয়েছেন।

আরও পড়ুন: সুখবর পেলেন শুভমান গিল! তরুণ ক্যাপ্টেনের অধীনে বিদেশের মাটিতে ৬০ বছর পুরোনো রেকর্ড ভাঙবে?

কাইফ সম্প্রতি নিজের বক্তব্যে সরাসরি বলেছেন, “শুভমান গিলের উচিত প্রকাশ্যে এসে বিবৃতি দেওয়া যে, তিনি বিশ্বকাপে রোহিতকে দলে চান। দল গঠনের সময় একজন অধিনায়ক সবসময়ই সেখানে উপস্থিত থাকেন। খেলোয়াড়রা একে অপরের খেলা সম্পর্কে যতটা জানেন, নির্বাচকরা হয়তো ততটা জানেন না।”