বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নতুন বছরের শুরুতেই স্বস্তির খবর পেতে পারেন দেশের কোটি কোটি চাকরিজীবী। ভোটের আবহ এবং নতুন বছরের উপহার, এই দুই কারণেই ইপিএফে-র (EPFO) সুদের হার বাড়ানোর পথে হাঁটতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। শ্রমমন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
কী জানা যাচ্ছে ইপিএফের (EPFO) সুদের হার নিয়ে?
নতুন বছরে প্রায় সাড়ে সাত কোটি ইপিএফ (EPFO) গ্রাহকের জন্য বড় সুখবর আসতে পারে। বর্তমানে ইপিএফে সুদের হার রয়েছে ৮.২৫ শতাংশ। সরকারি সূত্রের খবর, সেই হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৮.৫০ শতাংশ করার ভাবনা চলছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সরাসরি লাভবান হবেন দেশের লক্ষ লক্ষ শ্রমিক-কর্মচারী।
কবে নেওয়া হতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত?
২০২৬-২৭ আর্থিক বছরের সাধারণ বাজেট পেশের দিনকয়েকের মধ্যেই ইপিএফের (EPFO) সুদের হার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে। এই সিদ্ধান্ত নেবে শ্রমমন্ত্রকের অধীন কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠনের অছি পরিষদ। যদিও এখনও পর্যন্ত শ্রমমন্ত্রকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। সূত্রের খবর, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকার পরিকল্পনা রয়েছে। তার আগেই, আগামী ২০ জানুয়ারি ইপিএফও-র (EPFO) এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক বসতে চলেছে। সেই বৈঠকেই ইপিএফের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
শ্রমিক সংগঠনের বক্তব্য
ইপিএফও (EPFO) অছি পরিষদের সদস্য তথা শ্রমিক সংগঠন টিইউসিসির সাধারণ সম্পাদক এস পি তিওয়ারি জানিয়েছেন, ইপিএফের সুদের হার বৃদ্ধির দাবি আগেই কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রীর কাছে জানানো হয়েছে। তাঁর কথায়, সুদের হার বাড়লে দেশের শ্রমিক ও কর্মচারীদের বড় অংশই সরাসরি উপকৃত হবেন। এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠকেই বিষয়টি অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

আরও পড়ুনঃ মমতার বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মামলা, জিতলে কী করবেন ওই টাকায়? স্পষ্ট জানালেন শুভেন্দু
সিদ্ধান্তের পর কী হবে?
নিয়ম অনুযায়ী, ইপিএফও (EPFO) অছি পরিষদ যে সুদের হার প্রস্তাব করবে, তা অর্থমন্ত্রকের কাছে পাঠাতে হবে। অর্থমন্ত্রকের অনুমোদন মিললেই শ্রমমন্ত্রক এবং তার অধীনস্থ ইপিএফও এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে।













