জয়পুরে ফটোশুট করতে গিয়ে হাতির সারা গায়ে লাগালেন রং! তারপরেই যা হল ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে…

Published on:

Published on:

Foreign Influencer Faces Criticism for Photoshoot in Jaipur.
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: রাজস্থানের জয়পুর (Jaipur) শহরে এক বিদেশি ইনফ্লুয়েন্সারের ফটোশুট ঘিরে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, একটি হাতিকে গোলাপি রঙে রাঙিয়ে তার পিঠে চেপে ছবি ও ভিডিও তুলেছেন ওই ইনফ্লুয়েন্সার। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন পশুপ্রেমীরা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।

জয়পুরে (Jaipur) ফটোশুট করতে গিয়ে সমালোচনার বিদেশি  ইনফ্লুয়েন্সার:

জানা গিয়েছে, জুলিয়া বুরুলেভা নামে ওই ইনফ্লুয়েন্সার কয়েক দিন আগে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, তিনি স্বল্প পোশাকে একটি হাতির পিঠে বসে রয়েছেন এবং নিজের শরীরের মতোই হাতিটির গায়েও গোলাপি রং লাগানো হয়েছে। ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, হাতিটির সারা শরীরে রং মাখানো হচ্ছে এবং পরে সেই অবস্থাতেই ফটোশুট করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ট্রেনের খাবারে হাজারো সমস্যা, কোথায় জানাবেন অভিযোগ? কী বলছে রেলের নিয়ম?

এই ফটোশুটটি জয়পুরের একটি পরিত্যক্ত গণেশ মন্দিরের সামনে করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইনফ্লুয়েন্সারের দাবি, গণেশের প্রতীক হিসেবে হাতির ব্যবহার করে এই কনসেপ্ট তৈরি করা হয়েছিল। তবে সেই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ নেটিজেনদের একাংশ। তাঁদের মতে, ধর্মীয় ভাবনা বা শিল্পের নামে একটি জীবন্ত প্রাণীকে এভাবে ব্যবহার করা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Julia Buruleva (@julia.buruleva)

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন পশুপ্রেমী সংগঠন ও সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, হাতির মতো সংবেদনশীল প্রাণীর গায়ে রাসায়নিক রং লাগানো অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতির ত্বক খুবই স্পর্শকাতর এবং তাতে ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে, ফলে এ ধরনের রং শরীরে প্রবেশ করে সংক্রমণ বা চর্মরোগের কারণ হতে পারে।

Foreign Influencer Faces Criticism for Photoshoot in Jaipur.

আরও পড়ুন: পণ্য পরিবহণে আসবে গতি! ১৬০ কিমি বেগে ছুটবে বন্দে ভারত মালগাড়ি

এই ঘটনার পর জয়পুর (Jaipur) প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। কীভাবে এই ধরনের ফটোশুটের অনুমতি দেওয়া হল এবং প্রাণী সুরক্ষা আইনের কোনও লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে নেটিজেনদের একাংশের মত, সৃজনশীলতার প্রকাশের জন্য প্রাণীকে ব্যবহার না করে বিকল্প প্রযুক্তি, যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা যেত। পুরো ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্কের আবহ তৈরি হয়েছে।