বাংলাহান্ট ডেস্ক: যৌন অপরাধে অভিযুক্ত ও দণ্ডিত মার্কিন অর্থলগ্নিকারী জেফ্রি এপস্টিনের (Jeffrey Epstein) ব্যক্তিগত জীবনের একটি নতুন দিক সামনে এল। সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্যে তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকার নাম-পরিচয় প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, আদতে বেলারুশের বাসিন্দা ওই মহিলাকে নিজ উদ্যোগেই আমেরিকায় নিয়ে গিয়েছিলেন এপস্টিন। ২০১৯ সালের অগস্টে মৃত্যুর আগে তিনি শেষ ফোনকলটিও করেছিলেন প্রেমিকাকেই।
এবার চর্চায় জেফ্রি এপস্টিনের (Jeffrey Epstein) প্রেমিকা!
ব্রিটিশ সংবাদপত্র ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ এপস্টিন-সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখে জানিয়েছে, তাঁর প্রেমিকার নাম কারিয়ানা শুলিয়াক। পেশায় তিনি একজন দন্ত চিকিৎসক। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জীবনের শেষ কয়েক বছরে শুলিয়াকই এপস্টিনের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ও নির্ভরতার জায়গা হয়ে উঠেছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট নথি থেকে ইঙ্গিত মেলে।
আরও পড়ুন: সলমন-রোহিতের পর এবার রণবীর, কোটি কোটি টাকা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি পেলেন অভিনেতা
বর্তমানে ৩৬ বছর বয়সি শুলিয়াকের সঙ্গে এপস্টিনের প্রথম পরিচয় হয়েছিল বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে। দু’জনের এক পরিচিত রুশ মহিলার মাধ্যমে ২০১০ সালে তাঁদের আলাপ হয়, তখন শুলিয়াকের বয়স ছিল প্রায় ২০। সম্পর্কের শুরু থেকেই এপস্টিন তাঁকে প্রকাশ্যে নিজের প্রেমিকা হিসেবে পরিচয় দিতেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে শুলিয়াককে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়ে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ ডেন্টাল কলেজে দন্তচিকিৎসার পাঠ সম্পূর্ণ করতে সহায়তা করেছিলেন তিনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্পর্কের প্রাথমিক পর্যায়ে এপস্টিনের প্রতি শুলিয়াকের গভীর আস্থা ছিল। ২০১২ সালে এপস্টিনকে ঘিরে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ প্রকাশ্যে এলেও এক বার্তায় তিনি প্রেমিককে অত্যন্ত ইতিবাচক ভাষায় সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে নথিতে উল্লেখ আছে। অন্য দিকে, পরবর্তী কিছু ই-মেলে এপস্টিনের তরফে সম্পর্ক নিয়ে অসন্তোষের ইঙ্গিতও পাওয়া যায়, যেখানে সময় ও ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অভিযোগের সুর ধরা পড়েছে এবং অন্য নারীদের উপস্থিতি নিয়ে হিংসা না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়।

আরও পড়ুন: ব্লু লাইন নয়, এবার মেট্রো থমকে সেন্ট্রাল পার্ক স্টেশনে, ইস্ট-ওয়েস্ট লাইনে চরমে দুর্ভোগ
এপস্টিনের মৃত্যুর পর তাঁর বিপুল সম্পত্তির একটি অংশ— যার মূল্য আনুমানিক প্রায় ১০ কোটি ডলার— শুলিয়াকের অধিকারে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই সম্পত্তি বণ্টন এবং সম্পর্কের নানা দিক নিয়ে এখনও বিভিন্ন মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, এবং প্রকাশিত নথির তথ্য নিয়েও আইনি ও জনমত স্তরে পর্যালোচনা চলছে।












