বাংলা হান্ট ডেস্কঃ চলতি বছরের শুরু থেকেই একাধিক সুখবর পেয়েছেন এ রাজ্যের সরকারি কর্মীরা (Government Of West Bengal)। ভোটের আবহে রাজ্য সরকারি কর্মীদের কথা মাথায় রেখে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ডিএ বাড়ানোর পাশাপাশি ঘোষণা হয়েছে সপ্তম পে কমিশনেরও। এরই মধ্যে কিছুদিন আগে রাজ্যের পেনশনভোগীদের জন্য ফের বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গ হেলথ স্কিম নিয়ে বড় ঘোষণা করেছে রাজ্য। আপনিও একজন পেনশনভোগী হলে অবশ্যই আপডেটটি জেনে রাখুন।
হেলথ স্কিম নিয়ে বিজ্ঞপ্তি সরকারের (West Bengal Government)
রাজ্য সরকারি পেনশনভোগীদের জন্য চালু হওয়া হেলথ স্কিম নিয়ে কিছুদিন আগে নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সরকার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এতকাল পর্যন্ত ওয়েষ্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম বা WBHS-এর অধীনে পেনশনভোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসার ক্ষেত্রে (IPD) যে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস সুবিধা পেতেন তার সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।
রাজ্য অর্থ দপ্তরের মেডিক্যাল সেল তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, এখন থেকে ২ লক্ষ টাকার সীমা অতিক্রম করলেও ক্যাশলেস চিকিৎসার সুযোগ মিলবে। উল্লেখ্য, এতদিন পর্যন্ত চাকরিতে কর্মরতরা এই সুবিধা পেতেন। চাকুরীরত বা ‘ইন-সার্ভিস’ কর্মচারীরা ২ লক্ষ টাকার বেশি চিকিৎসার বিল হলে অগ্রিম বা অ্যাডভান্স নেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু অবসরপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে এই সুবিধা ছিল না। তাঁদের কথা মাথায় রেখে এবার বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এতদিন অবসরপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস সুবিধা। আর তার উপর হলে নিজেদেরই সেই খরচ বহন করতে হত, যা পরবর্তীকালে রিমবার্সমেন্ট বা প্রতিপূরণের মাধ্যমে ফেরত পেতেন তাঁরা। এবার পেনশনভোগীদের কথা ভেবে তাঁদের পাশে দাঁড়াতেই এই নতুন সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের।
শর্তাবলী :
এই সুবিধা পেতে গেলে বেশ কিছু শর্ত মানতে হবে। শুধুমাত্র হাসপাতালে ভর্তি বা IPD চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই সুবিধা মিলবে। মনে রাখতে হবে চিকিৎসার শুরুতেই বা হাসপাতালে ভর্তির আগেই কোনো এস্টিমেট জমা দেওয়া যাবে না। চিকিৎসা চলাকালীন তার খরচ ২ লক্ষ পার হতে গেলে আবেদন করা যাবে।

আরও পড়ুন: DA নিয়ে বড় আপডেট! পোর্টালে দেখা যাচ্ছে বকেয়া টাকা, কবে পাবেন হাতে?
পাশাপাশি প্রতিবার ১০ দিনের জন্য এই অনুমোদন পাওয়া যাবে। চিকিৎসা দীর্ঘস্থায়ী হলে একই পদ্ধতিতে বারবার আবেদন করতে পারবেন। বলা হয়েছে হাসপাতালের দেওয়া এস্টিমেটের ৭৫% টাকা অনুমোদন (১০০০ টাকার গুণিতকে) করা হবে রাজ্যের তরফে। জানিয়ে রাখা ভালো অনুমোদিত সীমার বাইরে কোনো খরচ হলে বা স্কিম বহির্ভূত কোনো বিল হলে, তা সংশ্লিষ্ট কর্মীকেই মেটাতে হবে।












