বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্য জুড়ে জোরকদমে অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) আবেদনের কাজ চলছে। অফলাইনের পর ইতিমধ্যেই অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এই প্রকল্পে (Government Scheme) আবেদন করতে গেলে কী কী তথ্য, নথি লাগবে তা জেনে রাখা প্রয়োজন।
অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) আবেদনের খুঁটিনাটি
অন্নপূর্ণা যোজনা পেতে আবেদনকারীদের একটি ১২ পাতার ফর্ম ফিল আপ করতে হচ্ছে। সেই ফর্মে আবেদনকারীকে নিজের পাশাপাশি পরিবার সম্বন্ধে বিস্তারিত তথ্য দিতে হচ্ছে। সেই কারণে ফর্ম ফিল করতে বসার আগে সব তথ্য ও নথি রেডি করে রাখা জরুরি।
এই সরকারি প্রকল্পের ফর্ম অনুযায়ী, আবেদনকারীকে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের বেশ কিছু তথ্য ও নথি দিতে হবে। আবেদনকারীর পরিবারের প্রধানের নাম, জন্ম তারিখ, পরিবারের প্রধানের আধার নম্বর, যোগাযোগের নম্বর সহ বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গেই পরিবারের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য, পরিবারের সদস্যদের নাম, জন্ম তারিখ, লিঙ্গ, আধার নম্বরও প্রদান করতে হবে।
আরও পড়ুনঃ রাজ্য সরকারের মাস্টারস্ট্রোক! সীমান্ত পাহারা আরও জোরদার করতে বিরাট পদক্ষেপ
এছাড়া আবেদনকারীর পরিবারের ডিজিটাল রেশন কার্ডের পারিবারিক আইডি থাকলে দিতে হবে। পরিবারটির ডিজিটাল রেশন কার্ড আছে কিনা, রেশন কার্ডের ধরন, রেশন দোকান থেকে মাসে মাসে রেশন তোলা হয় কিনা সেই সব তথ্যও চাওয়া হয়েছে।
অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্রে আবেদনকারীর পরিবারের জমিজমা সংক্রান্ত তথ্যও চাওয়া হয়েছে। পারিবারিক জমির মালিকানা আছে কিনা, পরিবারের সকল সদস্যের মোট জমির পরিমাণ কত এমন বেশ কিছু তথ্য দিতে হবে। সেই সঙ্গেই রেজিস্ট্রেশন কপি, মিউটেশনের কপি ও RoR হালনাগাদের তারিখ সহ সর্বশেষ জমির রেকর্ডের কপি চাওয়া হয়েছে। আবেদনকারী মহিলার বাড়িতে ৩ বা তার বেশি পাকা ঘর আছে কিনা সেটাও ফর্মে জানাতে হবে।

এখানেই শেষ নয়! অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে আবেদনকারীর পরিবারের প্রধান ও প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য, স্বাস্থ্যবিমার তথ্য, গাড়ি সংক্রান্ত তথ্য, প্যান-জিএসটি-আয় বিষয়ক তথ্য, শিক্ষাগত তথ্য, চাকরি ও পেশার তথ্য, শিশুদের তথ্য, পেনশন ও সরকারি পদ সংক্রান্ত তথ্য সহ বেশ কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে। এইসব ক্ষেত্রগুলিতে কী কী তথ্য জানাতে হবে এবং কোনও নথি দিতে হবে কিনা সেই বিষয়ে ফর্মেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে।
এদিকে এই ১২ পাতার দীর্ঘ ফর্ম দেখে অনেকেই আবার চিন্তায় পড়েছেন। তবে তাঁদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন, “চিন্তা নেই। সব বৈধ উপভোক্তাই টাকা পাবেন”। একইসঙ্গে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “যতখানি সম্ভব ফর্ম ফিল আপ করুন। না পারলে ‘নট অ্যাপ্লিকেবল’ লিখে দিন। আমরা বাকিটা দেখে নেব”।













