ফের বড়সড় সাফল্য ভারতীয় নৌবাহিনীর! জলদস্যুদের কবল থেকে ১৭ জনকে করা হল উদ্ধার, প্রকাশ্যে ভিডিও

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ফের বড়সড় সফলতা হাসিল করল ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy)। জানিয়ে রাখি যে, ভারতীয় নৌবাহিনীর INS কলকাতা (INS Kolkata) গত ১৪ ডিসেম্বর সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে হাইজ্যাক হওয়া মাল্টার জাহাজ এমভি রুয়েন থেকে ১৭ জন ক্রু মেম্বারকে উদ্ধার করেছে। পাশাপাশি, ৩৫ জন জলদস্যুকে আত্মসমর্পণ করতেও বাধ্য করেছে। মোট ৪০ ঘন্টার অপারেশন শেষে সমস্ত ক্রু মেম্বারদের কোনো ক্ষতি ছাড়াই উদ্ধার করা হয়।

জলদস্যুরা জাহাজ থামাতে বাধ্য হয়: নৌবাহিনীর মতে, INS কলকাতা ভারতীয় উপকূল থেকে প্রায় ২,৬০০ কিলোমিটার দূরে জলদস্যুদের কবলে থাকা ওই জাহাজটিকে আটকে দেয় এবং INS সুভদ্রা, হেল আরপিএ, পি৮ আই মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফ্ট এবং মার্কোস-ফারারকে সি-১৭ বিমানও কাজে লেগে যায়। এই পদক্ষেপের কারণে জলদস্যুরা জাহাজটি থামাতে বাধ্য হয়।

এমতাবস্থায়, জাহাজ থেকে অবৈধ অস্ত্র সহ গোলাবারুদ ও নিষিদ্ধ মাদক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে, সকালেই নৌবাহিনী জানিয়েছিল যে তারা এমভি রুয়েনকে আটকে রেখে ওই এলাকার মধ্য দিয়ে যাওয়া জাহাজ হাইজ্যাক করার বিষয়ে জলদস্যুদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করেছে।

আরও পড়ুন: যেকোনও মূল্যে গম্ভীরকে চাই! গৌতমকে KKR-এ ফেরাতে কত টাকা খরচ করলেন শাহরুখ? প্রকাশ্যে এল রিপোর্ট

জলদস্যুরা জাহাজটি দখল করে নিয়েছিল: নৌবাহিনী জানিয়েছে, এমভি রুয়েন, জাহাজটি গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর জলদস্যুরা হাইজ্যাক করে। ওই জাহাজটিকেই ব্যবহার করেই অন্য জাহাজের ওপরে হামলা চালাত দস্যুরা। এমনকি, চলতি সপ্তাহের গত বৃহস্পতিবারও বাংলাদেশের একটি পণ্যবাহী জাহাজের ওপরে হামলা করার চেষ্টা করা হয়। এমতাবস্থায়, সাহায্যের বার্তা পেয়েই এগিয়ে যায় ভারতীয় নৌসেনা।

আরও পড়ুন: বাবা ট্রেনে, নীচে শিশুকন্যা! দেবদূত হয়ে এগিয়ে এলেন পুলিশ কর্মী! বাঁচালেন ফুটফুটে প্রাণ

“এই অঞ্চলের নাবিকদের নিরাপত্তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ”: এদিকে নৌসেনার জাহাজ আটকাতে গুলি ছোঁড়ে দস্যুরা। এমন পরিস্থিতিতে, নৌসেনার তরফে তাদের উদ্দেশ্যে বারংবার আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও, অপহৃত জাহাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে জলদস্যুরা। যার পাল্টা জবাব দেয় নৌসেনাও। এই প্রসঙ্গে নৌসেনার একজন আধিকারিক জানান, নৌবাহিনী এই অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং নাবিকদের নিরাপত্তার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।

Sayak Panda
Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর