বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে আবারও বড় শিল্প বিনিয়োগের খবর সামনে এসেছে। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা খরচে তৈরি হওয়া একটি নতুন পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্ট (Haldia Plant) আগামী অক্টোবর মাসে চালু হতে চলেছে। এই প্রকল্পে ফিনল ও অ্যাসিটোন উৎপাদন হবে। শিল্পমহলের মতে, এর ফলে যেমন শিল্পের প্রসার ঘটবে, তেমনই নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে।
হলদিয়া মেগা প্ল্যান্ট (Haldia Plant) আপডেট
দুর্গাপুজোর ঠিক আগে, আগামী ১৪ অক্টোবর হলদিয়ার এই নতুন প্ল্যান্টের (Haldia Plant) উদ্বোধন হওয়ার কথা। হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের (HPCL) সহযোগী সংস্থা অ্যাডপ্লাস পলিমার্স অ্যান্ড কেমিক্যালসের অধীনে প্রকল্পটি তৈরি হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে গড়ে ওঠা এই কারখানায় মূলত ফিনল এবং অ্যাসিটোন উৎপাদন করা হবে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গে পেট্রোকেমিক্যাল ক্ষেত্রে এটি অন্যতম বড় বিনিয়োগ। তাই এই প্রকল্পকে ঘিরে শিল্পমহলেও যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
শুধু বিনিয়োগের অঙ্কই নয়, এই প্ল্যান্টের (Haldia Plant) আরও একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ এখানে দেশের প্রথম ‘অন-পারপাস প্রোপিলিন’ উৎপাদনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অলেফিন রূপান্তর প্রযুক্তির মাধ্যমে এই উৎপাদন করা হবে, যা ভারতের পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে নতুন সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এছাড়াও হলদিয়ার এই প্রকল্পে (Haldia Plant) দেশের বৃহত্তম একক ফিনল উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে দেশের ফিনল ও অ্যাসিটোনের চাহিদার বড় অংশ এখান থেকেই পূরণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন প্ল্যান্ট চালু হলে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস ‘ফেনোলিক্স চেন’-এর ক্ষেত্রে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সংস্থা হিসেবে উঠে আসতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে। এর ফলে শুধু মূল প্রকল্প নয়, তার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ছোট ও মাঝারি শিল্পও উপকৃত হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, এই প্রকল্পকে (Haldia Plant) কেন্দ্র করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের শিল্প ও অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।













