বাংলা হান্ট ডেস্ক : উৎসবের মরশুমে অনুষ্ঠান করতে গেলে এবার বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে। হাই কোর্টের (High Court) নির্দেশ অনুযায়ী, অনুষ্ঠান আয়োজকদের ১ লক্ষ টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট রাখতে হবে। একই সঙ্গে শব্দ নিয়ন্ত্রণের জন্য সাউন্ড লিমিটার ও ডেসিবেল মিটার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উচ্চমাত্রার লুমেন লাইট, ‘বিম’ এবং লেজার রশ্মি ব্যবহার করা যাবে না বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট।
উৎসবের মরশুমে দৃশ্য-শব্দ দূষণ নিয়ে কড়াকড়ি হাই কোর্টের(High Court)
রাস্তা, খোলা জায়গা কিংবা জনসাধারণের ব্যবহারের কোনও স্থানে বাজি পোড়ানো যাবে না। ফলে প্রকাশ্য রাস্তায় উৎসবের নামে বাজি ফাটানোর যে প্রবণতা দেখা যায়, এবার তার উপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা জারি হল। শব্দের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা দেখার দায়িত্বও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।
অনুষ্ঠান চলাকালীন নির্ধারিত সীমা অতিক্রম হচ্ছে কি না, তা পরিমাপের ব্যবস্থা রাখতে হবে। বম্বে হাইকোর্ট স্পষ্ট করেছে, শুধু কাগজে নিয়ম তৈরি করে রাখলে চলবে না; বাস্তবে তার প্রয়োগ নিশ্চিত করাও প্রশাসনের দায়িত্ব। মুম্বই, পুণে, থানে এবং নাসিকের মতো বড় শহরগুলিতে উৎসবের সময় শব্দ ও আলো দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি সামনে রেখেই এই মামলার সূত্রপাত।
বিষয়টি নিয়ে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে মামলা গ্রহণ করে। সেই শুনানিতেই বিচারপতি জিএস কুলকার্নি এবং বিচারপতি নীলা গোখলের ডিভিশন বেঞ্চ একাধিক নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, আতসবাজি ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশে এবং রাজ্যে আগে থেকেই বিভিন্ন বিধি রয়েছে। কিন্তু নিয়ম থাকার পরেও সেগুলির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন থেকে গিয়েছে।

আরও পড়ুন : রেশন কার্ড ডিঅ্যাক্টিভ হয়ে গিয়েছে? বাড়িতে বসে ফের চালুর সহজ উপায় জানুন
প্রশাসনের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার বিদ্যমান বিধিগুলি কার্যকর করার উপরেই জোর দিয়েছে হাই কোর্ট। ফলে উৎসবের মরশুমে মহারাষ্ট্রে শুধু আতসবাজির ক্ষেত্রেই নয়, অনুষ্ঠান আয়োজন, শব্দযন্ত্র এবং আলোকসজ্জার ক্ষেত্রেও বাড়তি বিধিনিষেধ কার্যকর হতে চলেছে। এখন নজর থাকবে, শহরগুলিতে প্রশাসন আদালতের নির্দেশ কতটা কঠোর ভাবে বাস্তবায়ন করে। শব্দ ও দৃশ্যদূষণ নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর নজরদারি চালানো হয়।













