বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলেন। সেই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Rachana Banerjee) বিদ্রোহী শিবিরে। মঙ্গলবার লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেল উৎপল কুমার সিংহের কাছে পৌঁছে যান হুগলির সাংসদ। সেখানে এনসিপিআই-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চিঠিতে স্বাক্ষর করেন বলে খবর। এরপর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে সমীকরণ নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।
‘দিদি’কে নিয়ে কী বললেন রচনা? | (Rachana Banerjee)
অভিনেত্রী-সাংসদ বলেন, “দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সঙ্গে অনেক বছরের পুরনো সম্পর্ক। সেই সম্পর্ক অটুট থাকবে। ওনার প্রতি সম্মান চিরকাল থাকবে। সবাই বলেন, দিদিকে দেখে মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে। এটা ঠিকই। ওনাকে দেখেই মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে। কারণ তৃণমূলের সাইন, মুখ সবই দিদি। তবে আমি ফিল্মস্টার বলে মানুষ আমায় ভোট দেয়নি। আমি যাতে কাজ করতে পারি সেই জন্য ভোট দিয়েছে। গত ১৫ বছরে যে কাজ হয়নি। কাজ করার জন্য কেন্দ্রের সমর্থন ভীষণভাবে দরকার।“
আরও পড়ুনঃ টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীদের জন্য জোর ধাক্কা! ভারতে অ্যাপ ‘নিষিদ্ধ’ করল সরকার
রচনা এদিন দাবি করেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে বলেন, “যা কাজ করা উচিত ছিল, সেইভাবে কাজ করতে পারছিলাম না”।
এদিন রাজ্যের নতুন সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করেন হুগলির সাংসদ। তিনি বলেন, “বিগত দু-এক মাসে রাজ্যে কত দ্রুততার সঙ্গে কাজ হচ্ছে আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি। এতদিন মানুষ হয়তো দেখতে পায়নি যে এভাবেও বাংলাতে কাজ হতে পারে।“

এদিকে বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর তৃণমূল ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে। একের পর এক বিধায়ক, সাংসদরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে দিচ্ছেন। রবিবার তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী বিধায়ক জানান, তাঁরা এনসিপিআই-য়ের সঙ্গে মিশে যাচ্ছেন। তবে সেদিন রচনাকে দেখা যায়নি। আজ নিজের ‘অবস্থান’ স্পষ্ট করে দিলেন হুগলির সাংসদ।













