বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলায় পালাবদলের পর থেকে শিল্পক্ষেত্রে প্রভূত সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অন্ধকার অধ্যায় কাটিয়ে বাংলার শিল্পে ফের জোয়ার আসতে শুরু করেছে। এই আবহে রাজ্যের হোসিয়ারি শিল্পের বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) জানিয়েছেন, রাজ্যে টেক্সটাইল হাব (Textile Hub) গড়ে তোলার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
হোসিয়ারি শিল্প নিয়ে বড় ঘোষণা শমীকের | (Samik Bhattacharya)
বর্তমানে রাজ্যে হোসিয়ারি শিল্পে বার্ষিক টার্নওভার ৩৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা। সেটাকেই এবার দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়ে প্রায় ১ কোটি টাকা করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রাজ্য সরকার।
আরও পড়ুনঃ মহালয়ার মধ্যেই শেষ হবে কাজ! পুজোর আগে শহরের ৫০০ বেহাল রাস্তা সারানোর আশ্বাস
শমীক বলেন, “বর্তমানে রাজ্যে হোসিয়ারি শিল্পে বার্ষিক টার্নওভারের পরিমাণ মেরেকেটে ৩৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা। এই পরিমাণটাই বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। হোসিয়ারি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত যে সকল উদ্যোগপতি বা ব্যবসায়ীরা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, তাঁরা ফের রাজ্যে ফিরতে আগ্রহী। এখানে বিনিয়োগ করতে চাইছেন।“
বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, দক্ষিণ ভারতের যেসব রাজ্যগুলিতে হোসিয়ারি তথা টেক্সটাইল শিল্প অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী, সেখানকার শিল্পপতিরাও রাজ্যে বিনিয়োগের বিষয়ে উৎসাহ দেখিয়েছেন। এই বিষয়টিও অত্যন্ত ইতিবাচক।
এছাড়া রাজ্যের প্রতিরক্ষা খাতেও বড়সড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন শমীক। শীঘ্রই এই নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে চিঠি লিখবেন বলে জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

এদিকে কয়েকদিন আগেই আদিত্য বিড়লা গ্রুপের চেয়ারম্যান কুমার মঙ্গলম বিড়লার সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন শমীক। বিজেপি সূত্রে খবর, ঘরোয়া পরিবেশে হওয়া সেই বৈঠকে রাজ্যে বিনিয়োগ নিয়ে দু’জনে আলোচনা করেছেন। এই পরিস্থিতিয়ে হোসিয়ারি শিল্প ও প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগ নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতির মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শিল্পের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে বিজেপি সরকার। গত বৃহস্পতিবার নিউটাউনে আদানি গোষ্ঠীর হাসপাতালের শিলান্যাস হয়েছে। এবার হোসিয়ারি শিল্পে জোয়ার আনতে বাংলায় টেক্সটাইল হাব গড়ে তোলা সহ আরও বেশ কিছু পরিকল্পনার কথা জানালেন শমীক ভট্টাচার্য।













